English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

মুখোমুখি প্রতিদিন

শিরোপা জেতার মতো দল গড়েছে বসুন্ধরা কিংস

  • ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

প্রিমিয়ার লিগে অভিষেকের অপেক্ষায় বসুন্ধরা কিংস। নতুন এই ক্লাব দলও গড়ছে ঘরোয়া ফুটবলের প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড়দের নিয়ে। তৌহিদুল আলম সবুজ, নুরুল নাইম ফয়সাল, মোহাম্মদ ইব্রাহিমদের পর গতকাল আবাহনী থেকে ইমন মাহমুদ বাবুকেও দলে ভিড়িয়েছে তারা। চুক্তি স্বাক্ষরের পর কালের কণ্ঠর মুখোমুখি হয়ে অ্যাটাকিং এই মিডফিল্ডারের কণ্ঠে ঝরল শিরোপা জয়ের প্রত্যয়

প্রশ্ন : আবাহনীর মতো প্রতিষ্ঠিত ক্লাবে খেলেছেন তিন বছর। নতুন দল বসুন্ধরা কিংসে এলেন কেন?

ইমন মাহমুদ বাবু : বসুন্ধরা কিংসের কর্তাদের সঙ্গে কথা বলার পর মনে হয়েছে নতুন এই ক্লাব দারুণ কিছু করতে চায় ঢাকার ফুটবলে। তাদের পরিকল্পনা শুনে মুগ্ধ হয়েছি আমি। এ জন্যই নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে এসেছি নতুন ক্লাবে।

প্রশ্ন : কোন পরিকল্পনার কথা শুনে প্রভাবিত হলেন আপনি?

ইমন : দেখুন, ঢাকার ফুটবলের অনেক ক্লাবেরই অঢেল টাকা আছে। অনেক টাকা পারিশ্রমিকে খেলোয়াড় কেনে তারা। কিন্তু সব ক্লাবের পরিবেশ একই রকম না। আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে বসুন্ধরা কিংসের পরিবেশ আর পেশাদারিত্ব। নতুন ক্লাব হয়ে প্রিমিয়ারে নাম লিখিয়েই হৈচৈ ফেলার মতো দল গড়েছে তারা। প্রথমবারই ওরা চায় শিরোপা জিততে। তবে ক্লাব কর্তাদের ধৈর্য ধরতে বলব আমি।

প্রশ্ন : কেন?

ইমন : প্রিমিয়ার লিগের মঞ্চটা অনেক বড়। এখানে শিরোপা জেতার মতো দল গড়ে অনেক ক্লাব। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগেই দেখুন, শিরোপা জিততে পারে চেলসি, ম্যানইউ, ম্যানসিটির যে কেউ। ভাগ্য প্রভাব ফেলে অনেক সময়। তাই রাতারাতি শিরোপা জিতে যাবএমন ভাবার কারণ নেই। ধৈর্য ধরতে হবে। তবে আমি মনে করি শিরোপা জেতার মতো দল গড়েছে বসুন্ধরা কিংস। এখন সবাইকে নিজেদের সেরাটা খেলতে হবে। অবশ্যই সেটা দল হিসেবে।

প্রশ্ন : বিশ্বকাপ খেলা ড্যানিয়েল কলিনড্রেস সতীর্থ হতে যাচ্ছে আপনার। রিয়াল মাদ্রিদের তারকা কেইলর নাভাসের সঙ্গে খেলেছেন তিনি।

ইমন : এটা বিশেষ কিছু আমার ও দেশের ফুটবলের জন্য। ঘরোয়া ফুটবলে অনেক বিদেশিই খেলেন। তাঁদের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আপনারা সাংবাদিকরাই। আমার মনে হয় কলিনড্রেসের ঢাকায় আসার সিদ্ধান্ত ইতিবাচক হবে আমাদের দেশের ফুটবলের জন্য। দর্শক মাঠে আসে এ ধরনের তারকা দেখতে। আমার ধারণা ও দর্শক ফেরাতে পারবে ঘরোয়া ফুটবলে।

প্রশ্ন : এবারের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপেও বাংলাদেশের ম্যাচে গ্যালারিতে ছিল উপচে পড়া দর্শক। সবাই চাইছিলেন ২০০৯ সালের পর বাংলাদেশকে সেমিফাইনালে দেখতে। সেটা তো হলো না।

ইমন : সাফের এই দলে থাকতে পেরে আমি গর্বিত। আমরা সবাই লড়াই করেছি। পারিনি শুধু দুর্ভাগ্যে। এই দলটার ভালো ভবিষ্যৎ আছে। ধৈর্য ধরুন। তরুণ এই দল সঠিক রাস্তায় ফেরাবে বাংলাদেশের ফুটবলকে।

খেলা- এর আরো খবর