English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

স্বপ্নডানা মেলে আমিরাতে বাংলাদেশ দল

  • ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

ক্রীড়া প্রতিবেদক : আইসিসির সভায় যোগ দিতে দুবাই যাওয়ার কথা, কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা জটিলতায় শেষ পর্যন্ত যেতেই না পারার অভিজ্ঞতা কম নয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসানের। সেই একই জটিলতায় এবার এশিয়া কাপগামী বাংলাদেশ দলের একাধিক সদস্য। ভিসা এখনো না পাওয়ায় গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এমিরেটসের ফ্লাইটে দুবাইয়ের পথে বাংলাদেশ দলের সঙ্গে তাই চড়ে বসতে পারেননি তামিম ইকবাল ও রুবেল হোসেন। একই উড়ান ধরার কথা থাকলেও যাওয়া হয়নি ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ এবং প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীনেরও।

অবশ্য তাঁদের যাওয়া বেশি বিলম্বিত হওয়ারও সম্ভাবনা নেই। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, আজকের মধ্যেই ভিসা চলে আসার কথা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে দ্রুতই দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তামিম-রুবেলরা। তাঁদের ছাড়াই কাল মাশরাফি বিন মর্তুজার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল ক্রিকেট খেলতে আবার মরুশহরে গেল ২৩ বছর পর। শেষবারও সেখানে গিয়েছিল এশিয়া কাপ খেলতেই। ১৯৯৫ সালে পেপসি এশিয়া কাপের সেই বাংলাদেশ দলের অন্যতম ব্যাটিং স্তম্ভ মিনহাজুল এখন প্রধান নির্বাচক। সেই সময় আর এই সময়ের বাংলাদেশ দলের তুলনাটা তাই তাঁরই সবচেয়ে ভালো করতে পারার কথা। সেটি তিনি করলেনও, আমাদের সময়ে তো লম্বা একেকটি বিরতির পর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতাম আমরা। তখন আমাদের এশিয়া কাপ খেলতে যাওয়ার মধ্যে অংশগ্রহণই ছিল মুখ্য ব্যাপার। আর এখন তো ছেলেরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে যাচ্ছে। ১৯৯৫-র বাংলাদেশ দলকে ১০০-র মধ্যে ৪০ নম্বর দিলে এখনকার দলকে দিতে হবে ৭৫।

ওয়ানডে শক্তিতে বড় বড় দলকে চোখ রাঙাতে শিখে যাওয়া মাশরাফিরা টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে হওয়া সবশেষ এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলেছিল। ফাইনাল খেলেছে ২০১২-র ওয়ানডে আসরেও। মাঝখানে ২০১৪-র আসরটি খারাপ গেলেও তিন আসরের দুটিতে ফাইনাল খেলা বাংলাদেশ এবার অন্য মর্যাদা নিয়েই গেল আমিরাতে। সেই সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সম্প্রতি ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে আসার আত্মবিশ্বাসের বিচ্ছুরণও থাকল মাহমুদ উল্লাহর কথায়। ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমকে বলে গেলেন, আত্মবিশ্বাসের কথা বললে বলব আমরা দল হিসেবে খুব ভালোভাবে যাচ্ছি। কারণ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সবশেষ সিরিজ খুব ভালো খেলে জিতেছি আমরা। আর আমাদের সবশেষ এশিয়া কাপও খুব ভালো গিয়েছে। দুটি এশিয়া কাপের (তিনবারের মধ্যে) ফাইনাল খেলেছি আমরা।

এরই ধারাবাহিকতা রক্ষার চ্যালেঞ্জ নিয়ে দুবাই যাওয়া মাশরাফিদের অভিযান শুরু হচ্ছে ১৫ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কা ম্যাচ দিয়ে। আপাতত সেই ম্যাচটির দিকেই যত মনোযোগ বাংলাদেশ শিবিরের। কারণ ছন্দ ধরার জন্য যে তারা সব সময়ই টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচটিকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে আসছে।

খেলা- এর আরো খবর