English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

বড় জয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেল নেপাল

  • ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

ভুটানের বিপক্ষে বড় জয়ে পাকিস্তানের কাছে হারের জ্বালা জুড়িয়েছে নেপাল। চেনচো গেলেেসনদের ৪-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে প্রায় ছিটকে দিয়েছে তারা। গতকালের পারফরম্যান্সে শেষ চারের দাবিও জোরালো করেছে বালগোপাল মাহার্জনের দল।

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ভুটানের বিপক্ষে বড় জয়ে পাকিস্তানের কাছে হারের জ্বালা জুড়িয়েছে নেপাল। চেনচো গেলেেসনদের ৪-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে প্রায় ছিটকে দিয়েছে তারা। গতকালের পারফরম্যান্সে শেষ চারের দাবিও জোরালো করেছে বালগোপাল মাহার্জনের দল।

প্রথম ম্যাচ থেকে এদিন তিনটি পরিবর্তন এনেছিলেন নেপালি কোচ। সেই ম্যাচে পেনাল্টি দেওয়া অধিনায়ক বিরাজ মাহার্জনকে বসিয়ে দিতে তিনি দ্বিধা করেননি। দুই ফরোয়ার্ড নবযুগ শ্রেষ্ঠা ও ভারত খাওয়াজের বদলে বিশাল রায় ও সুনীল বালকে সুযোগ দিয়েছিলেন। সুনীল সুযোগটা কাজে লাগিয়েছেন দারুণ। তাঁর দুটি কর্নার থেকেই হেডে অনন্ত তামাং ও নিরাজন খারকার দুই গোল। সুনীল নিজেও তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম গোলটি পেয়েছেন এদিন। অন্য গোলটি ভারত খাওয়াজের, বদলি নেমে নয়ন-জুড়ানো এক গোল করেছেন নেপালের এ অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার। এ জয়ের পর গ্রুপের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক বাংলাদেশকে হারিয়েই তাদের শেষ চারে ওঠার চ্যালেঞ্জ। গতকালের ম্যাচ শেষেই অবশ্য বালগোপাল যখন সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন, মনে হয়েছে কাঁধ থেকে বিশাল একটা বোঝা নেমে গেছে তাঁর, খেলোয়াড়দের পরিস্থিতিটা বোঝানোর প্রয়োজন ছিল না। প্রথম ম্যাচ হারের পর সেমিফাইনালে উঠতে এই ম্যাচে যে আমাদের জয়ের বিকল্প ছিল না, তা সবাই হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছিল। আমি দারুণ খুশি সেই হারের ধাক্কা কাটিয়ে সত্যিকার অর্থেই তারা আজ একটা ভালো ম্যাচ উপহার দিয়েছে। ডিফেন্স মেরামতের কথা বলেছেন তিনি, সেই সঙ্গে মিডফিল্ড ও ফরোয়ার্ড লাইনে সংযোগ বাড়াতে বাড়তি তাগিদ ছিল। সেটি ঠিকঠাক হওয়াতেই নেপালিদের গোল পাওয়াটা কাল শুধু সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল। ২১ মিনিটে সেট পিস থেকে তাদের প্রথম গোল। সুনীলের কর্নারে নিখুঁত এক হেডে দলকে এগিয়ে দেন ডিফেন্ডার অনন্ত। এর আগেই অবশ্য চেনচো গেলেেসন ওয়ান অন ওয়ানে সুযোগটা নষ্ট না করলে ম্যাচের ছবি অন্য রকম হতেও পারত। পুরো ম্যাচে গোলের এমন পরিষ্কার সুযোগ আর পাননি তিনি। দ্বিতীয়ার্ধে তেন্দা দর্জি বল জালে পাঠালেও ছিলেন অফসাইডে। তাদের সমতায় ফেরার আশা এরপর একরকম শেষ হয়ে যায় নিমা ওয়াংদি বিমল ঘারতিকে বক্সের ভেতর ফেলে দিলে। নিমা লাল কার্ড দেখার পাশাপাশি নেপালকে পেনাল্টিও উপহার দিয়েছেন। গোলরক্ষক শেরিং দেনদাপ অবশ্য বিমলের শট ফিরিয়ে দিয়েছিলেন স্পট কিক থেকে; কিন্তু শেষ রক্ষা করতে পারেননি, দৌড়ে এসে ফিরতি বল জালে পাঠিয়েছেন সুনীল।

২-০ হয়ে যাওয়ার পর খাওয়াজকে নামালেন নেপালি কোচ। বাঁ দিক থেকে দুই ডিফেন্ডারের পাহারা এড়িয়ে যে গোলটা করেছেন তিনি, তাতে নিশ্চিতভাবেই আবার একাদশে ফেরার দাবি জোরালো করেছেন। ট্রেভর মরগানের দলের দুর্দশা বাড়িয়ে ৮৮ মিনিটে কর্নার থেকেই হেডে ব্যবধান ৪-০ করেছেন আরেক বদলি খেলোয়াড় নিরাজন খারকা।

খেলা- এর আরো খবর