English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

তারুণ্যের শক্তি দেখাল ভারতও

  • ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

৩৫ মিনিটে আশিক কুরুনিয়ানের সেই গোলে এগিয়ে যাওয়া ভারত দ্বিতীয়ার্ধে আরো এক গোল করে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে মাঠ ছাড়ে।

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ভারতীয় তরুণদের দলটাকে ইন্ডিয়ান অ্যারোস কেন ডাকা হয় কাল তাদের সাফের অনূর্ধ্ব-২৩ দলটাকে দেখেও বোঝা গেল। ফিটনেস, গতি, শক্তিতে একেকজন যেন ধনুকের ছোড়া তীর। যা কিছু ঘাটতি বিচক্ষণতায়, মাপজোখে। প্রতিপক্ষ বক্সের ভেতর থেকেও বল উড়িয়ে মারছিলেন, ক্রসগুলোতে একটু বেশি জোর পড়ে যাচ্ছিল। কিন্তু মাঝে মাঝেই সব কিছু এতটা নিখুঁত হয়ে যাচ্ছিল যে ওই মুভগুলো স্রেফ মুগ্ধতা ঝরিয়েছে। মাঝখান থেকে শুরু হওয়া তেমনি এক মুভ তিন টাচে পায় গোলের পরিণতি। ৩৫ মিনিটে আশিক কুরুনিয়ানের সেই গোলে এগিয়ে যাওয়া ভারত দ্বিতীয়ার্ধে আরো এক গোল করে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে মাঠ ছাড়ে।

ভারতের মূল দল না এলে কী হবে, যে কোচের অধীনে আবার তারা র্যাংকিংয়ের ১০০-এর মধ্যে ঢুকে গেছে সেই কন্সটেনটাইন ঠিকই ঢাকায় তাঁর তরুণদের পরখ করে নিতে। লঙ্কানরা সাফের প্রথম ম্যাচে তাঁর সেই দলের সামনে তেমন সমস্যাই হতে পারেনি। ভারতীয়রা প্রতিপক্ষের অর্ধে ফাইনাল পাসের সন্ধান করে গেছে ক্রমাগত। সেই চাপ সামলে পাকির আলীর দল বেশ কয়েকবার ওপরে উঠলেও পরিষ্কার গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ৩৫ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস পেয়ে সুমিত পাসি চোখের পলকে বল বাড়ান ডানে, আশিক কুরনাইন ধনুকে আঁটা তীরের মতোই যেন টানটা দিয়েছিলেন। বলটা পেতেই বাঁ পায়ের কোনাকুনি শটে সরাসরি পাঠিয়ে দিয়েছেন জালে।

বিরতি থেকে ফিরে লঙ্কানরা গুছিয়ে নেবে কি, লালিয়ানজুয়ালার দূরপাল্লার শটে আবার তাঁরা পিছিয়ে। বাঁ প্রান্ত থেকে ক্রসই হয়তো করেছিলেন এই মিডফিল্ডার। বল বাতাসে ভেসে সরাসরি পোস্টে ঢুকে যায়। ব্যবধান আরো বাড়ত ফারুক চৌধুরীর শট ক্রসবারে প্রতিহত না হলে। ফারুক এর আগেও একবার গোলবঞ্চিত হয়েছেন পোস্টের সামনে থেকে উড়িয়ে মেরে। সাফের বাকি ম্যাচগুলোর আগে এই ফিনিশিং নিয়েই হয়তো কাজ করবেন চ্যাম্পিয়ন দলের কোচ। পাকির আলীর দল বাংলাদেশে এসে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ে প্রস্তুতি সেরেছি। কিন্তু সেই ম্যাচ থেকে পাওয়া আত্মবিশ্বাস তাঁদের কালই নড়ে যাওয়ার কথা। এই গ্রুপ থেকে ভারত, মালদ্বীপ পরিষ্কার ফেভারিট সেমিফাইনালের জন্য। প্রথম ম্যাচে এর ব্যতিক্রম কিছু হতে পারে এর আভাসও পাওয়া গেল না। লঙ্কানরা পরের ম্যাচে মালদ্বীপের কাছে হেরে গেলে এই গ্রুপে ফেভারিট দুই দলের মুখোমুখি হওয়াটা স্রেফ আনুষ্ঠানিকতায় রূপ নেবে।

স্টিফেন কন্সটেনটেইন কাল অবশ্য ম্যাচ শেষে সরাসরিই বলে দিলেন খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিয়ে তিনি পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন। আরো বেশি গোলে জেতা উচিত ছিল আমাদের বলে পরিষ্কারভাবেই সেই সুযোগ নষ্ট করাগুলোকেই বুঝিয়েছেন। পরের ম্যাচের জন্যও তাই খেলোয়াড়দের ওপর চাপ থাকছে।

খেলা- এর আরো খবর