English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

লামায় সেই ইটভাটার বিরুদ্ধে মামলা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান   
  • ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

লামা উপজেলার ফাইতং পাগলীর ছড়ায় তিনটি অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে মামলা হয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক জাহানারা ইয়াসমিন শনিবার রাতে লামা থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

লামা থানার ওসি আপ্পেলা রাজু নাহা মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলায় ১৭ জনকে আসামি করা হলেও এ টি এম ইসমাঈল সিকদার, এ টি এম শহীদুল ইসলাম, মোহাম্মদ খাইরুদ্দিন, ইয়াসির আরাফাত, গিয়াস উদ্দিন, নবাব মিয়া সিকদার এবং মৌলভী জামাল উদ্দিনের নাম সুনির্দিষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ১০ জনকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

৩০ আগস্ট দিবাগত রাতে কয়েকটি ইটভাটার যৌথ অভিযান পরিচালনা করে দুটি স্কেভেটর, ১টি বুলডোজার এবং ১ ব্যারেল (১০ ড্রাম) জ্বালানি তেল জব্দ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূরে জান্নাত রুমী অভিযানে নেতৃত্ব দেন। অভিযান চলাকালে পাহাড় থেকে মাটি কাটার যন্ত্র ৩টি বিনষ্ট এবং জ্বালানি তেল পুড়িয়ে ফেলা হয়। এই অভিযানের দুদিনের মাথায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ১৯৯৫ সালের পরিবেশ সংরক্ষণ আইন (২০১০ সালে সংশোধিত)-এর ৪(২) এবং ১২ ধারায় মামলা করা হয়। লামা থানার ওসি জানান, নিয়ম অনুযায়ী এই মামলার তদন্ত করবে পরিবেশ অধিদপ্তর। মাঠ পর্যায়ে তদন্ত শেষে চার্জশিট দেওয়া হবে। এরপর চট্টগ্রামের পরিবেশ আদালতে মামলার বিচার কাজ সম্পন্ন হবে।

উল্লেখ্য, শনিবার কালের কণ্ঠে ছোট্ট এক গ্রামে ২৩ ইটভাটা শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদে এলাকাবাসীকে উদ্ধৃত করে মামলা দায়েরে দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগ আনা হয়।

নাইক্ষ্যংছড়িতে কাঠ জব্দ

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দুটি সীমান্ত পয়েন্টে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৬৩ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ কাঠ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়ন কমান্ডারের নির্দেশে রবিবার সকালে সদর ইউনিয়নের নারিকেলবাগান ও দক্ষিণ জারুলিয়াছড়ি এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। নায়েব সুবেদার সামিউল ইসলাম অভিযানে নেতৃত্ব দেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, বিজিবি জওয়ানদের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা কাঠ ফেলে পালিয়ে যায়। এ অবস্থায় অবৈধভাবে সংগৃহীত কাঠগুলো বিজিবির হেফাজতে নেওয়া হয়।

জব্দ করা কাঠের মধ্যে ১০০ টুকরা গামারি কাঠের বল্লী এবং ৩১০ টুকরা সেগুন কাঠের বল্লী রয়েছে।

১১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, জব্দকৃত কাঠ নাইক্ষ্যংছড়ি রেঞ্জের বনবিট অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে বন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা হয়েছে।

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন- এর আরো খবর