English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

কবি হয়ে ওঠার গল্প শোনালেন ওমর কায়সার

দৃষ্টির তারুণ্যের আড্ডা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   
  • ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

আবৃত্তি সংগঠন দৃষ্টির আড্ডায় কবি ও সাংবাদিক ওমর কায়সারসহ অন্যরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

দৃষ্টি চট্টগ্রামের নিয়মিত আড্ডার পঞ্চম পর্বে কবি ও সাংবাদিক ওমর কায়সার তাঁর বেড়ে ওঠার গল্প শোনালেন তরুণদের। জানালেন, অর্থ সম্পদ ছেড়ে সৃজনশীলতা সৃষ্টিশীলতা কীভাবে তাঁকে গ্রাস করেছে সেই গল্প। শুক্রবার সন্ধ্যায় সংগঠনের স্টুডিও হলে আড্ডায় মেতেছিলেন তিনি।

দৃষ্টির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আরফাতের সঞ্চালনায় এ আয়োজনে আরো বক্তব্য দেন কবি ও ছড়াকার জিন্নাহ চৌধুরী, রোটারিয়ান ছাইফুল হুদা সিদ্দিকী, দৃষ্টির সভাপতি মাসুদ বকুল, সিনিয়র সহসভাপতি সাইফ চৌধুরী, সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সাবের শাহ, যুগ্ম সম্পাদক সাইফুদ্দিন মুন্না ও অনুষ্ঠান সমম্বয়কারী কাজী তৌকির জাহিন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কবির সহধর্মিণী জ্যোত্স্নানা কায়সার।

ওমর কায়সার বলেন, আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন এতো সামাজিক অনুষ্ঠান হতো না। একটা ভয়াবহ সময়ের মধ্যে দিয়ে যৌবন পার করেছি। ১৯৭৫ সালে যে বছর এসএসসি পাস করি সেই বছর ঘাতকের বুলেটে শহীদ হন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কিশোর বয়সে ভীষণ দাগ কেটেছিল ওই ঘটনা। এ ঘটনার রেশ আজও আমাকে তাড়া করে বেড়ায়।

সঞ্চালকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শৈশবে আরো একটা দুঃসময় স্মৃতি আমাকে পীড়া দেয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় নিউমার্কেট এলাকার আইস ফ্যাক্টরি রোডে আমার চোখের সামনে একজনকে হত্যা করেছিল পাকিস্তানি বাহিনী। একটি অটোরিকশায় আরো দুজনের সাথে তিনি তখন যাচ্ছিলেন। হানাদার বাহিনী অটোরিকশাকে থামতে বললে তিন যাত্রী লাফ দিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এর মধ্যে একজনকে গুলি করে হত্যা করে ওরা। এ দৃশ্য এখনো আমার চোখের সামনে ভাসে।

ওমর কায়সার বলেন, আমাদের শৈশবে কোনো মোবাইল ফোন ছিল না। আমরা দেখেছি বাপ দাদারা ব্যবসা বা চাকরির জন্য পাশের দেশ বার্মা যেত। বাড়ির মহিলারা তখন ছন্দ করে প্রিয়জনকে যে চিঠি লিখতেন সেই চিঠির ভাষা আমার আজকে কবি হওয়ার পিছনে কাজ করেছে সবচেয়ে বেশি।

আড্ডায় কথামালার পাশাপাশি ছিল গান ও কবিতা পাঠ। এতে গান পরিবেশন করেন অনির্বাণ বড়ুয়া ও আবৃত্তি করে হাসান জাদিদ মাশরুখ।

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন- এর আরো খবর