English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

চিকিৎসক সংকটে রোগীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা

  • নূরুল ইসলাম খান, কেশবপুর (যশোর)   
  • ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এখানে স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা রোগীরা অভিযোগ করে বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চিকিৎসকের দেখা পাচ্ছেন না তাঁরা। শুধু চিকিৎসক সংকট নয়, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সংকটের কারণেও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালে ২০ জন মেডিক্যাল কর্মকর্তার স্থলে রয়েছে মাত্র ছয়জন। ১০ কনসালট্যান্ট পদে আছেন ছয়জন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আল্ট্রাসনোগ্রাফ ও ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন নেই। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের মধ্যে ৯টি পদ শূন্য। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর মধ্যে ১৮টি পদ খালি।

চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা জানায়, চিকিৎসক সংকটের কারণে রোগীরা সুষ্ঠুভাবে সেবা পাচ্ছে না। উপজেলার কোমরপোল গ্রাম থেকে জাকির হোসেন তাঁর শিশুসন্তানকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন। এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চিকিৎসকের দেখা পাননি।

গত বছর উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসাসেবায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিল এ হাসপাতালটি। তবে নানা সংকটের কারণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আগের স্থান ধরে রাখার বিষয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।

কেশবপুর উপজেলা যশোর, সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। ফলে এখানে পাশের কলারোয়া, তালা ও মণিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন রোগীরা। এ কারণে এখানে রোগীর চাপও থাকে বেশি। হাসপাতালে আল্ট্রাসনোগ্রাফ ও ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন না থাকায় রোগীরা রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকেও বঞ্চিত রয়েছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শেখ আবু শাহীন জানান, এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাত্র ছয়জন চিকিৎসক থাকায় রোগীদের সেবা দিতে কষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সংকটে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। তার পরেও রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

স্বাস্থ্যসেবা- এর আরো খবর