English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

হবিগঞ্জে আদালতে স্বীকারোক্তি

২০ লাখ টাকা মুক্তিপণের আশায় হত্যা করা হয়

  • হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   
  • ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ পাওয়ার আশায় হবিগঞ্জ শহরের ব্যবসায়ী গৌরাঙ্গ লাল দাশকে (৩৯) অপহরণ করেছিল বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী তারামিয়া ওরফে তারু কবিরাজ (৫৮)। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল আলমের আদালতে ১৬৪ ধারায় এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় সে। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

আদালতকে তারামিয়া জানায়, হবিগঞ্জে আসা-যাওয়ার সুবাদে পরিচয় হয় গৌরাঙ্গের পাশের ব্যবসায়ী সোহাগের সঙ্গে। সোহাগ তারা মিয়াকে পরিচয় করিয়ে দেয় গৌরাঙ্গের সঙ্গে। আর এ দুজনই পরে হঠাৎ বড়লোক হওয়ার মানসে গৌরাঙ্গকে অপহরণ করে। তাদের ধারণা, গৌরাঙ্গকে আটক করলে মুক্তিপণবাবদ তারা ১৫-২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে পারবে। পরিকল্পনানুযায়ী তারামিয়া আরো পাঁচ দুর্বৃত্তকে সঙ্গে নিয়ে গত ২৬ জুলাই সন্ধ্যায় একটি মাইক্রোবাসযোগে আখাউড়া থেকে হবিগঞ্জ আসে। সোহাগ রাত সাড়ে ৯টার দিকে গৌরাঙ্গকে ফোন দিয়ে জানায়, একটি মাইক্রোবাস কিনবে সে। গৌরাঙ্গ যেহেতু এ ব্যাপারে অভিজ্ঞ তাই তাঁকে নিয়ে গাড়ির ব্যাপারে মালিকের সঙ্গে আলোচনা করতে চায়। সোহাগের অনুরোধে গৌরাঙ্গ থানা এলাকায় গেলে তারা গৌরাঙ্গকে মাইক্রোবাসে তুলে হাত-পা বেঁধে মুখে স্কচটেপ এঁটে দেয়। পরে তারা রওনা দেয় আখাউড়ার উদ্দেশে। সেখানে অজ্ঞাতস্থানে রেখে গৌরাঙ্গের কাছে মুক্তিপণের টাকা চাইবে বলে পরিকল্পনা করে। কিন্তু শায়েস্তাগঞ্জ হয়ে চুনারুঘাট-তেলিয়াপাড়া-জগদীশপুর সড়কে যাওয়ার পথে দেখতে পায় শ্বাসরোধে গৌরাঙ্গ মারা গেছেন। চুনারুঘাট সদর ইউনিয়নের বাগবাড়ী গ্রামের কাছে খোয়াই নদীতে লাশ ফেলে দেয়।

প্রিয় দেশ- এর আরো খবর