English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার

বাগেরহাটের ১২ রাজাকারের বিচার শুরু

  • নিজস্ব প্রতিবেদক   
  • ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

বাগেরহাটের কচুয়া ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার ১২ রাজাকারের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার বিচারকাজ শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

গতকাল রাষ্ট্রপক্ষে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত ও মামলার ১ নম্বর সাক্ষী খান নজরুল ইসলাম তাঁর জবানবন্দি দেন। আগামী ৮ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

গত ১ আগস্ট এই ১২ রাজাকারকে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাগেরহাটের কচুয়া ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় হত্যা, ধর্ষণ, আটক, অপহরণ, নির্যাতন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগসহ অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধের সাত অভিযোগে অভিযুক্ত করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

অভিযুক্ত ১২ জনের মধ্যে পাঁচজন গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দি রয়েছেন। তাঁরা হলেন মোরেলগঞ্জ উপজেলার তেলিগাতি গ্রামের খান আকরাম হোসেন, কচুয়া উপজেলার যশোরদি গ্রামের ইদ্রিস আলী মোল্লা, একই উপজেলার উদনখালী গ্রামের মো. মকবুল মোল্লা, চাপড়ি গ্রামের শেখ মোহম্মদ উকিল উদ্দিন ও মো. হাশেম আলী শেখ। গতকাল পাঁচজনকেই ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

পলাতক অন্য সাত রাজাকার হলেন খান আশরাফ আলী, সুলতান আলী খান, রুস্তম আলী মোল্লা, শেখ ইদ্রিস আলী, শেখ রফিকুল ইসলাম ওরফে বাবুল, মো. মনিরুজ্জামান হাওলাদার ও মো. আজাহার আলী শিকদার।

এই রাজাকারদের বিরুদ্ধে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ তদন্ত শুরু হয় ২০১৫ সালের ৪ জুন। গত বছরের ২২ জানুয়ারি তদন্ত শেষ হয়। ওই দিনই তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর তা ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে দাখিল করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। তদন্ত প্রতিবেদনে সাতটি অভিযোগ আনা হয়। পরে গত বছরের ৩১ মে এই অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।

আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ১৬ জুলাই ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে বাগেরহাটের খান আকরাম হোসেন, ইদ্রিস আলী মোল্লা, মো. মকবুল মোল্লা, শেখ মোহম্মদ উকিল উদ্দিন ও মো. হাশেম আলী শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

খবর- এর আরো খবর