English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

বিশ্বনাথে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের হুমকি এএসআইয়ের

  • বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি   
  • ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

সিলেটের বিশ্বনাথে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে পুলিশের এক এএসআইকে ক্লোজ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (ওসমানীনগর সার্কেল) কাছে হুমকির শিকার ছাত্রী লিখিত অভিযোগ দিলে রাতেই ওই এএসআইকে ক্লোজ করা হয়।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্বনাথ থানার এএসআই কামরুজ্জামান সাদা পোশাকে একটি অভিযোগ তদন্তে উপজেলা সদরের জানাইয়া (মশুলা) গ্রামে যান। সেখানে বিশ্বনাথ ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে স্থানীয় কিছু বখাটেও ছিল। গালাগাল করার কারণ জানতে চাইলে তিনি কনস্টেবলের হাতে থাকা লাঠি নিয়ে ওই ছাত্রীকে মারতে উদ্যত হন।

পরে তাঁর মা ও বোনের ঘরে ঢুকতে চাইলে ওই ছাত্রী কামরুজ্জামানকে বাধা দেন। এ সময় এএসআই কামরুজ্জামান ওই ছাত্রীকে বলেন, তোকে বিবস্ত্র করে পেটাব। সঙ্গে থাকা ছেলেদের দিয়ে ধর্ষণ করাব। তোরা নষ্টা মেয়ে মানুষ। আমি তোর এমন অবস্থা করব আর কেউ তোকে বিয়েই করবে না। আমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে না কেউ। আমি যেই-সেই দারোগা নই। থানার সব পুলিশ আমার কথায় ওঠে-বসে। তোরা দেখবি কামরুজ্জামানের হাত কত লম্বা। এ সময় কলেজছাত্রীর মা ও ছোট বোন ঘর থেকে বেরিয়ে এলে তাঁদের সঙ্গেও খারাপ ব্যবহার করেন তিনি। সঙ্গে থাকা বখাটে ছেলেদের বলে যান, তারা যেন ওই কলেজছাত্রীকে ঠিক করে দেয়।

তবে এএসআই কামরুজ্জামান তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, আমি ওদের শাসিয়েছি মাত্র। যা বলেছি, ওদের ভালোর জন্যই বলেছি।

বিশ্বনাথ থানার ওসি শামসুদ্দোহা বৃহস্পতিবার রাতেই কামরুজ্জামানকে ক্লোজ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন।

সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর সার্কেল) সাইফুল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তদন্তে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে এএসআইয়ের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খবর- এর আরো খবর