English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

রাজবাড়ীতে তিন স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার!

  • রাজবাড়ী প্রতিনিধি   
  • ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

রাজবাড়ী সদর ও বালিয়াকান্দি উপজেলায় পৃথক ঘটনায় তিন স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগে মামলা হয়েছে। বালিয়াকান্দির ঘটনায় পুলিশ মনিরুল ফকির (২২) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

রাজবাড়ী থানায় দায়ের হওয়া মামলার বাদী জানান, তাঁর মেয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। স্কুলে যাওয়া-আসার পথে দীর্ঘদিন ধরে রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানগঞ্জ ইউনিয়নের বোয়ালমারী গ্রামের ইমান আলী সরদারের ছেলে আসাদ সরদার (২৫) তাকে প্রেমসহ কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে সাড়া না পেয়ে সে তাঁর মেয়ের ক্ষতি করার জন্য তৎপর হয়। মঙ্গলবার রাতে ঘরের দরজা ভিড়িয়ে মেয়ে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত ৩টার দিকে ঘুম ভেঙে দেখেন মেয়ে ঘরে নেই। এ সময় তিনি কিছুটা দূরে চিৎকারের শব্দ পান। এগিয়ে গিয়ে তিনি দেখতে পান যে তাঁর মেয়েকে ঘিরে লোকজন দাঁড়িয়ে আছে।

মেয়েটি জানায়, রাত আড়াইটার দিকে আসাদ তার কক্ষে প্রবেশ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক পাশের খড়ের গাদায় নিয়ে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে চলে যায়।

রাজবাড়ী থানার ওসি তারিক কামাল বলেন, ওই ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বালিয়াকান্দি উপজেলায় অষ্টম ও নবম শ্রেণি পড়ুয়া দুই ছাত্রীকে ফুসলিয়ে নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার রাতের এ ঘটনায় জড়িত মধুখালী উপজেলার আশাপুর গ্রামের মাইক্রোবাসচালক মনিরুল ফকির (২২) ও পার আশাপুর গ্রামের মজনু খানের ছেলে আল আমিন খান (২৫)।

স্থানীয় লোকজন মনিরুলের মাইক্রোবাস থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ওই চারজনকে আটক করে উত্তম-মধ্যম দিয়ে অভিভাবকদের হাতে তুলে দেয়। স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক নেতাকে ম্যানেজ করে মঙ্গলবার অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রীটির সঙ্গে আল আমিন খানের এফিডেভিটের মাধ্যমে কথিত বিয়েও দেওয়া হয়। আর নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রীটির বাবা বাদী হয়ে মঙ্গলবার বিকেলে বালিয়াকান্দি থানায় মনিরুল ফকিরকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

বালিয়াকান্দি থানার ওসি হাসিনা বেগম গতকাল দুপুরে জানান, এক ছাত্রীর বাবার দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় মনিরুল ফকিরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গত বুধবার ওই ছাত্রীকে বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। অন্য ছাত্রটিকে নাকি পারিবারিকভাবে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ জন্য তারা থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। তারা অভিযোগ করলে মামলা নেওয়া হবে।

খবর- এর আরো খবর