English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ ধর্ষককে গণপিটুনি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম ও কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি   
  • ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

চট্টগ্রাম মহানগরীর লালখান বাজার এলাকায় গতকাল রবিবার বিকেলে এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। পরে স্থানীয়রা ধর্ষককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই এলাকায় আরেক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠলে পুলিশ সেটি ধর্ষণের ঘটনা নয় বলে দাবি করে।

খুলশী থানার ওসি শেখ মো. নাসির উদ্দিন বলেন, শিশুটি বিকেলে পানি আনতে গেলে ভ্রাম্যমাণ সবজি বিক্রেতা হারুনুর রশিদ তাকে চকোলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে স্থানীয়রা গিয়ে ধর্ষককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ ধর্ষককে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে থানায় নিয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া ধর্ষিত শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় মামলায় হারুনুর রশিদকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে।

ওসি বলেন, একই এলাকায় আরেকটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছিল। তবে পুলিশ প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করে জানতে পেরেছে সেটি ধর্ষণের ঘটনা নয়।

এদিকে মৌলভীবাজার কুলাউড়ায় আদিবাসী তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত আছকর মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রবিবার তাকে পাশের ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ছত্রিশ গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় গারো সম্প্রদায়ের ওই তরুণীকে পানের জুম থেকে উঠিয়ে পাশের জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে বুধপাশা গ্রামের আসব আলীর ছেলে আছকর। পরে পাশের লোকজন ওই তরুণীকে উদ্ধার করে।

কুলাউড়া থানার ওসি মো. শামিম মুসা জানান, শুক্রবারের ঘটনায় মেয়েটির বাবা থানায় মামলা করলে আজ (রবিবার) পুলিশ ধর্ষক আছকর মিয়াকে পাশের ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ছত্রিশ গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ ধর্ষণের শিকার তরুণীকে চিকিৎসার জন্য ওসিসি ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করেছে।

স্থানীয় কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ রহমান আতিক ঘটনা শুনেছেন বলে জানান।

কুবরাজ আন্তপুঞ্জি উন্নয়ন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফ্লোরা বাবলি তালাং জানান, তিনি ঢাকায় ছিলেন। তবে এ ব্যাপারে কিছু জানেন না।

ইছাছড়া পানপুঞ্জির মন্ত্রী (হেডম্যান) জেনেমন্ত্রীর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় এ ব্যাপারে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

খবর- এর আরো খবর