English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচারে কারাগারে আদালত স্থানান্তর বিতর্ক

মো. জাকির হোসেন

  • ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

আমাদের রাজনীতি নতুন করে তেতে উঠেছে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলমান জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার শুনানির জন্য পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের ৭ নম্বর কক্ষ অস্থায়ী আদালত হিসেবে ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করাকে কেন্দ্র করে। বিএনপি নেতারা বলছেন, কারাগারে আদালত স্থানান্তর সংবিধানের লঙ্ঘন। কারাগারে আদালত স্থাপন করে বিচারকে বিএনপি ক্যামেরা ট্রায়াল (গোপন বিচার) বলে অভিহিত করে আদালত স্থানান্তরের প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের জন্য এরই মধ্যে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে এবং প্রজ্ঞাপন বাতিল চেয়ে উচ্চ আদালতে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অন্যদিকে সরকার বলছে, নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সংবিধান মেনেই পুরনো কারাগারে অস্থায়ী আদালত স্থাপন করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল আদালতকে বলেছেন, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা হয়। এর পর থেকে অসুস্থতার কারণে খালেদা জিয়াকে এখন পর্যন্ত আদালতে হাজির করা যায়নি। তাঁর অসুস্থতা ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কারাগারে আদালত বসানোর বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যেই কেন্দ্রীয় কারাগারে অস্থায়ী আদালত স্থাপন করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। ফলে বিশেষ জজ আদালত-৫-এ বিচারাধীন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানি পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দীন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মামলার শুনানিতে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা অনুপস্থিত ছিলেন। তবে ঢাকা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা খান খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানির জন্য সুবিধাজনক একটি তারিখের আবেদন জানালে আদালত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ ধার্য করেন। খালেদা জিয়া ২০৪ দিন পর আদালতে হাজির হয়ে বিচারকের উদ্দেশে বলেছেন, যা ইচ্ছা সাজা দিতে পারেন। যত ইচ্ছা সাজা দিতে পারেন। আমি বারবার আসতে পারব না।

বিতর্কের আইনগত ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের দিকে দৃষ্টি দেওয়া যাক। বিএনপি যে কারণে কারাগারে আদালত স্থানান্তরকে সংবিধানবিরোধী আখ্যায়িত করছে, তার মূল ভিত্তি হলো মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত সংবিধানের ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ। এ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ফৌজদারি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। বিএনপির বক্তব্য হলো, কারাগারে আদালত স্থাপন করা হলে খালেদা জিয়ার প্রকাশ্য আদালতে বিচারলাভের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘিত হবে। প্রশ্ন হলো, প্রকাশ্য বা উন্মুক্ত আদালতে বিচারলাভ বলতে কী বোঝায়? আর কারাগারে আদালত স্থানান্তরিত হলেই প্রকাশ্য আদালতে বিচারলাভের অধিকার লঙ্ঘিত হয় কি না? সংবিধানের কোথাও প্রকাশ্য বা উন্মুক্ত আদালতের সংজ্ঞা বা এর ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়নি। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫২ ধারায় বলা হয়েছে, The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them : Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or the building used by the Court. (কোনো অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোনো ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ওই স্থান উন্মুক্ত আদালত বলে বিবেচিত হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয় ততক্ষণ পর্যন্ত সেখানে সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার থাকবে। তবে শর্ত থাকে যে বিচারিক জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে কোনো বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোনো পর্যায়ে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে সর্বসাধারণের বা কোনো বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে বা উক্ত স্থানে অবস্থান করতে পারবেন না)। আদালত উন্মুক্ত হলে তা কোথায় স্থাপন বা স্থানান্তর হলো, সে প্রশ্ন অবান্তর। বিভিন্ন মামলার রায়ে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নির্ধারিত আদালত কক্ষ ব্যতীত অন্য কোনো স্থানে, এমনকি কারাগারের অভ্যন্তরে আদালত স্থাপন করেও বিচার অনুষ্ঠিত হতে পারে। Abdur Rashid v State ([1966] 18 DLR, WP 154) মামলার রায়ে বলা হয়েছে, বিচারক প্রয়োজন বোধ করলে কারাগারের অভ্যন্তরেও মামলার শুনানি করতে পারবেন। অপর এক মামলার রায়ে উচ্চ আদালত সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, কারাগারের মধ্যে বিচার অনুষ্ঠান ধারা ৩৫২ অনুযায়ী বেআইনি নয়। যে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার বিচার করেন, কোথায় বিচার অনুষ্ঠিত হবে, তা নির্ধারণের বিচারিক ক্ষমতা তাঁর আছে। (2 DLR 80) অনুরূপ আরেক রায়ে মাননীয় আদালত বলেছেন, আদালত কক্ষ ব্যতীত অন্য কোনো স্থানে ম্যাজিস্ট্রেট বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। এরূপ ক্ষেত্রে উহা বিচারের স্থানরূপে ঘোষণা করতঃ রীতিসিদ্ধ আদেশ প্রদান করতে হবে। (21 DLR 310) এবং ১৯৬৭ সালে ভারতের উচ্চ আদালতও যেকোনো স্থানে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার পক্ষে রায় প্রদান করে বলেছেন, যদি উন্মুক্ত আদালত হয়, তবে আইনে এমন কিছু নেই, যা ম্যাজিস্ট্রেটের অধিক্ষেত্রের যেকোনো স্থানে আদালত পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। তবে মিতব্যয়িতার নিয়ম হিসাবে যথাযথ স্থানে বিচারকার্য অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। (AIR 1967 Tri. 13) প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আদালত উন্মুক্ত হলেও সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার নিরঙ্কুশ ও অবারিত নয়। Abdur Rashid v State ([1966] 18 DLR, WP 154) মামলার রায়ে বলা হয়েছে, সকলেই অবগত আছে যে আদালতের দ্বার সবার জন্য খোলা। তার পরও বিচারকার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের নিমিত্তে কোনো বিশেষ মোকদ্দমার আদালত সবাইকে প্রবেশ করতে না-ও দিতে পারেন। তবে সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের এবং সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমায় নিযুক্ত আইনজীবীদের প্রবেশ করতে দিতে হবে। আদালতের আদেশে প্রবেশাধিকার সীমিত করা হলে সে বিষয়ে কোনো আপত্তি উত্থাপন করা যাবে না মর্মে উচ্চ আদালতের এক রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যাডভোকেট (মোকদ্দমায় নিযুক্ত নহেন) ও জনসাধারণকে প্রবেশ না করতে আদালত যদি আদেশ দেন, তবে অত্র ধারার (ধারা ৩৫২) উদ্দেশ্যানুসারে এ বিষয়ে কোনোরূপ আপত্তি উত্থাপন করা যাবে না। [2 DLR 80 (DB)] খালেদা জিয়ার বিচারের জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করে আদালত স্থানান্তর করায় কোনোভাবেই সংবিধান লঙ্ঘিত হয়নি। ফৌজদারি কার্যবিধির ৯(২) ধারায় সরকারকে ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে যে সরকার গেজেট প্রকাশ করে যেখানে ইচ্ছা সেখানে আদালত স্থাপন করতে পারে। ৯(২) ধারায় বলা হয়েছে, The Government may, by general or special order in the official gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore.

আমার ব্যক্তিগত অভিমত, কারাগারে আদালত স্থানান্তর ও এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বিতর্ক যতটা না আইনি, তার চেয়ে রাজনীতিই অনেক বেশি মুখ্য। কারাগারে আদালত স্থাপন যে বেআইনি নয়, সংবিধান লঙ্ঘন নয়, ক্যামেরা ট্রায়ালও নয়, তা কি বিএনপির প্রথিতযশা অইনজীবীরা জানেন না? সাংবাদিকসহ মামলাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অবাধে এ আদালতে প্রবেশ করতে পারছেন, তাহলে এটি কী করে ক্যামেরা ট্রায়াল বা গোপন বিচার হয়? বিএনপি নেতারা কি জানেন না যে স্বাধীন বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কারাগারে আদালত স্থাপন করে বিচারিক রেওয়াজ শুরু করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। কারাগারে আদালত স্থানান্তরকে অসাংবিধানিক বললে কারাগারে জিয়ার আদালত স্থাপন ও বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনাও যে অসাংবিধানিক হয়, তা কি বিএনপির অজানা? বিএনপি কি ভুলে গেছে, ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের বিচার হয়েছিল পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে লাল ভবনে। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারে নাজিমুদ্দীন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন কক্ষকে আদালত হিসেবে ঘোষণা দিয়ে সেখানে বিচার সম্পন্ন করা হয়। এর বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আসামিরা আইনজীবী প্রয়াত খান সাইফুর রহমানের মাধ্যমে হাইকোর্টে আবেদন করলে উচ্চ আদালত বিস্তারিত শুনানি শেষে সেই আবেদন খারিজ করে দেন। এ তথ্য কি বিএনপির আইনজীবীদের অজানা? ২০০৭ সালে জাতীয় সংসদ ভবনের বিশেষ কক্ষগুলোতে আদালত স্থাপন করে শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়াসহ অন্য অনেকের বিচারকাজ পরিচালনা করা হয়েছে। এ ছাড়া পুরান ঢাকার আদালত ভবন থেকে পৃথক আদালত তৈরি করে বকশীবাজার মাদরাসার একটি অংশকে আদালত ঘোষণা করে সেখানে খালেদা জিয়ার একটি মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। মাদরাসা প্রাঙ্গণে আদালত স্থাপন করাকে অবৈধ দাবি করে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে হাইকোর্টে অভিযোগ দায়ের করা হলে তা খারিজ হয়ে যায়। এর পরও প্রজ্ঞাপনকে চ্যালেঞ্জ করে কেন আইনি নোটিশ প্রেরণ ও মামলা দায়েরের প্রস্তুতি? এর কারণ, মামলাকে দীর্ঘসূত্রতার জালে আটকানো। অন্তত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে যাতে মামলার রায় না হতে পারে, তা ঠেকানো।

অন্যদিকে সরকারের মন্ত্রীরা যে বলছেন, খালেদা জিয়া অসুস্থ ও তাঁর নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই কারাগারে আদালত স্থানান্তরএটিও বিশ্বাসযোগ্য নয়। সরকারের সঙ্গে খালেদা জিয়ার এমন কোনো প্রীতির সম্পর্ক নেই যে খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও নিরাপত্তাজনিত কারণে সরকারের ঘুম হারাম। জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার যে পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে, তাতে খালেদা জিয়াকে মামলার হাজিরা দিতে আদালতে বারবার আনা-নেওয়ার পথে কোনো ঘটনা ঘটলে সরকারকে চড়া মূল্য দিতে হবে। তাই নিরাপত্তাজনিত কারণে আদালত স্থানান্তরের দাবি ফেলে দেওয়ার মতো নয়। তবে অসুস্থতার কারণে আদালত স্থানান্তর মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। খালেদা জিয়ার অসুস্থতায় সরকার যদি ব্যথিত হয়ে থাকে, তাহলে বিএনপি নেতাদের দাবি অনুযায়ী বিশেষায়িত বেসরকারি হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা সুবিধা নিতে দিচ্ছেন না কেন? কারাগারে আদালত স্থানান্তরে যে বিষয়টি সরকারকে উৎসাহিত করেছে, তা হলোঅসুস্থতার কারণ দেখিয়ে খালেদা জিয়া ছয় মাসের বেশি সময় ধরে যে আদালতে হাজির হচ্ছেন না, তা মামলা দীর্ঘায়িত করার কৌশল, এটি সরকার বাহাদুর অনুধাবন করতে পেরেছে। তাই সরকার চায় ২০০৮ সালে দায়ের করা মামলার বিচার আর দীর্ঘায়িত না হয়ে দ্রুত সম্পন্ন হোক। নির্বাচনের আগে মামলার রায় হলে আর তাতে খালেদ জিয়া দোষী সাব্যস্ত হলে বিএনপি নতুন করে চাপে পড়বেএ ভাবনাও সরকারকে আদালত স্থানান্তরে অনুপ্রাণিত করেনি, তা জোর দিয়ে বলা যাবে না।

ইতিহাস বড়ই নির্মম। নাজিমুদ্দীন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের যে স্থানটিতে খালেদা জিয়ার মামলার বিচারের জন্য আদালতের স্থান নির্ধারিত হয়েছে, ঠিক সেখানেই ১৯৭৬ সালের ২১ জুন জিয়াউর রহমান আদালত স্থাপন করে বিচার করেছিলেন কর্নেল তাহের, সিরাজুল আলম খান, মেজর এম এ জলিল, আ স ম আবদুর রব, হাসানুল হক ইনুসহ ৩৪ জন সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তির। বিচার শুরুর ২৬ দিন পর ১৭ জুলাই প্রদত্ত এক রায়ে কর্নেল তাহেরকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়। আর এই আদেশের মাত্র তিন দিনের মাথায় ২০ জুলাই দিবাগত রাত ৪টায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। অন্যদিকে মেজর এম এ জলিল ও কর্নেল তাহেরের বড় ভাই ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট আবু ইউসুফ বীরবিক্রমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের সব সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা হয়। আ স ম আবদুর রব, হাসানুল হক ইনু ও ড. আনোয়ার হোসেনকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডসহ অন্য ১৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এবার অপেক্ষার পালা, খালেদা জিয়ার বিচারে কী রায় হয়, তা দেখার।

লেখক : অধ্যাপক, আইন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

zhossain@justice.com

মুক্তধারা- এর আরো খবর