English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে

  • ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

বিশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থার কারণেই প্রতিনিয়ত ঘটে যাচ্ছে হাজারো সড়ক দুর্ঘটনা আর প্রাণ হারাচ্ছে অগণিত সাধারণ মানুষ। ক্রমাগতই ঘটে যাচ্ছে এমন হাজারো হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা আর নিমেষেই ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে সেসব। হাতে গোনা কিছু ঘটনা সবার দৃষ্টিগোচর হলেও অসংখ্য ঘটনা রয়ে যাচ্ছে সবার চোখের আড়ালেই। পরিবহন নৈরাজ্যের প্রধান কারণ সরকার এবং তার সংশ্লিষ্ট সংস্থার দায়িত্ব পালনে অবহেলা। আর তাই গণপরিবহনের শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকার ও প্রশাসনকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। ট্রাফিক পুলিশকে যথেষ্ট আন্তরিক ও সৎ হতে হবে। ট্রফিক পুলিশের সংখ্যা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করতে হবে। যারা টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স ও ছাড়পত্র প্রদান করে তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। রাস্তা যথাসম্ভব প্রশস্ত করতে হবে। ত্রুটিপূর্ণ ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ করতে হবে। এতে জনসাধারণের দুর্ভোগ ও সড়ক দুর্ঘটনা কমবে। লাইসেন্সবিহীন অদক্ষ চালক নিষিদ্ধ করতে হবে। নির্দিষ্ট গতিবিধি অনুসরণ করে গাড়ি চালাতে হবে। গতির ভিন্নতার ওপর ভিত্তি করে আলাদা লেনের ব্যবস্থা করতে হবে। ওভারটেকিং বন্ধ করতে হবে। উল্টো পথে গাড়ি চালানো বন্ধ করতে হবে। নিরাপদ চলাচলে ফুট ওভারব্রিজ বা বিকল্প নিরাপদ ব্যবস্থা নিতে হবে। যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং বন্ধ করতে হবে। দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলোতে স্পিড ব্রেকারের ব্যবস্থা করতে হবে। রাস্তা থেকে অবৈধ হকার উচ্ছেদ করতে হবে। মাত্রাতিরিক্ত যাত্রী বহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হবে। চাঁদাবাজি, ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করতে হবে। সর্বোপরি জনসাধারণের সার্বিক সহযোগিতা ও সচেতনতা প্রয়োজন।

তামান্না ইসলাম

বাঁকা চড়াইল, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।

মতামত- এর আরো খবর