English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

পুকুরের ঐতিহ্য রক্ষা করুন

  • ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

পুকুর একটি শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। এর পারে বসে অবসর সময়ে গল্পগুজব করে শহরের মানুষেরা। পরিকল্পিতভাবে পুকুরের পার বাঁধাই এবং বসার জায়গা করলে অবসর সময় কাটানো এবং আড্ডা দেওয়ার একটি চমৎকার স্থান হতে পারে শহরের পুকুর। হবিগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত তিনকোনা পুকুর। এর পাশেই রয়েছে নানা ধরনের দোকান আর শহর থেকে বের হওয়ার রাস্তা। একটা সময় এই পুকুরের অনেক ঐতিহ্য ছিল। মাছ ছিল পুকুরে, ছিল লাল ও নীল পদ্ম। পানি ছিল সাদা চকচকে। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় পুকুর যেন সব হারাচ্ছে। এখন এসব তো নেই-ই, বরং পুকুর দখলের নানা পাঁয়তারা চলছে। পুকুরের পানি গাড়ি ধোয়াসহ নানা কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। সেই ব্যবহৃত পানি আবার পুকুরে এসে পড়ছে। ফলে পুকুরের পানি দূষিত হচ্ছে। পুকুরের দক্ষিণ পারে সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে কার, মাইক্রোবাসের অবৈধ স্ট্যান্ড। পুকুরের পার ভেঙে পার্শ্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিও এক পাশে দেবে যাচ্ছে পুকুরের দিকে। এদিকে পৌরসভার ভূমি বন্দোবস্ত নেওয়ার সুযোগে পুকুরের পূর্ব পারে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মাটি ভরাট ও আবর্জনা ফেলে পুকুরটি সংকুচিত করা হচ্ছে। হবিগঞ্জ শহরের ঐতিহ্যের সাক্ষী এই শহর। পুকুরটি রক্ষা করা সময়ের দাবি। পুকুরটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও পর্যবেক্ষণে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

শতাব্দী জুবায়ের, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

চিঠিপত্র- এর আরো খবর