English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

শিশুকে ভালোবাসুন

  • ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

দুরন্ত বাচ্চাকে কথা শোনাতে, বাধ্য করাতে কিংবা নিয়মের মধ্যে রাখতে আমরা শাসন করি। কখনো কি ভেবে দেখেছেন, অতিরিক্ত শাসন আপনার সন্তানের জন্য সুফল, না কুফল বয়ে আনছে? শাসনের বেড়াজালে আবদ্ধ করে রাখলেই সন্তান আদর্শ মানুষ হয়ে বেড়ে ওঠে না, বরং আপনার রুক্ষ রূপ ও আচরণ তার সঙ্গে আপনার দূরত্ব আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। সে মানসিকভাবে ক্ষতির শিকার হচ্ছে। পাশাপাশি তার মননশীলতার বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আপনার অজান্তেই সন্তানের ক্ষতি হয়ে চলেছে। সন্তানের অন্যায় আচরণের জন্য তাকে সীমিত শাসন করতেই পারেন। তবে তা যেন কখনোই মাত্রা ছাড়িয়ে না যায়। শাসনের ভাষা দিয়ে সব ঠিক করা যায় না, বরং ভালোবাসা আর মমতা দিয়ে বখে যাওয়া সন্তানকে পথে আনা যায়। কাজেই সন্তানকে ভালোবাসুন। জীবনের সব কিছু সুন্দর ও সহজ করে বুঝিয়ে বলুন। অতি শাসন বাচ্চাদের সাবলীল বিকাশের পথ রুদ্ধ করে দেয়। তার সৃজনশীলতা বিকশিত হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে থাকে। সে হীনম্মন্যতায় ভোগে এবং যেকোনো বিষয়েই সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পায়। অনেক সময় শিশু হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তারা ভীরুতা নিয়ে বেড়ে উঠছে। আপনার প্রতি তার বিরূপ ধারণা জন্ম নিচ্ছে। অতি শাসনে শিশু বখেও যায়। শিশুকে শাসনের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি করবেন না। বাচ্চার অন্যায় আচরণের জন্য তাকে বুঝিয়ে বলুন কিংবা সীমিতভাবে শাসন করুন। গায়ে হাত তুলবেন না। চেষ্টা করুন সন্তান যেন ভালোবেসেই আপনার কথা শুনতে চায়।

ওসমান গনি শুভ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

চিঠিপত্র- এর আরো খবর