English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

নীলফামারী

নবীন প্রবীণে বিজয়ী হবে বিএনপি

মো. সামসুজ্জামান
সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপি

  • ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

আগামী নির্বাচন হবে গণতন্ত্রের নির্বাচন, অস্তিত্বের নির্বাচন, মানুষের ভোটাধিকার অর্জনের নির্বাচন। সে ক্ষেত্রে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে জেলার চার নির্বাচনী এলাকার প্রার্থী বাছাই করবেন নেত্রী। বিএনপি এবং জোট দুটিরই প্রধান খালেদা জিয়া। সে ক্ষেত্রে আমরা আশা করব, নীলফামারীর চার আসনে বিএনপির প্রার্থী দিয়ে নির্বাচন করার। কালের কণ্ঠকে এ কথা বলেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. সামসুজ্জামান।

অতীতে জোটের আসন ভাগাভাগি হয়েছে। চারটির মধ্যে শরিক দল জামায়াতকে দুটি দেওয়া হয়েছিল। এবারে কেন চারটিই দাবি করছেন প্রশ্নে তিনি বলেন, মানুষ নূতনের কেতন চায়। নৌকার বিপরীতে ধানের শীষ প্রতীক দিয়েই প্রতিদ্বন্দ্বিতা চায়। অন্য কোনো দল বিএনপির প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করুক তা নেতাকর্মীরা চায় না। তা ছাড়া বিগত নির্বাচনগুলোতে জামায়াতের প্রার্থীর পরাজয় ঘটেছে। এ জন্য বিএনপির প্রার্থীই চায় ভোটার এবং নেতাকর্মীরা।

বিএনপির এই নেতা বলেন, বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক এবং ভোটার আছে। এ কারণে একাধিকবার ক্ষমতায় এসেছে দলটি। অনেক দুর্যোগের মধ্যেও জেলার চারটি পৌরসভার মধ্যে তিনটিতে মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাফল্য এসেছে।

এক প্রশ্নের জবাবে সামসুজ্জামান বলেন, বিএনপি একটি বড় দল। জেলার সব স্তরের সংগঠন সক্রিয় আছে। একটি গণতান্ত্রিক দল হওয়ায় সব ধর্মের মানুষ আমাদের দলে আছে। নির্বাচনী হাওয়ায় নেতাকর্মীরা আরো সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে। আগামী নির্বাচনে চার আসনেই নূতন প্রবীণের সমন্বয়ে ধানের শীষের বিজয় হবে।

দলীয় কোন্দল প্রসঙ্গে সামসুজ্জামান বলেন, কমিটি করতে গেলে এক-আধটু মনোমালিন্য হয়। বড় দলে অনেক নেতা, সবাইকে তো খুশি করা যাবে না। ভাইয়ে ভাইয়ে মন-কষাকষি হতে পারে, সেটি সাময়িক। জাতীয় রাজনীতিতে এর কোনো প্রভাব পড়বে না। অচিরেই সেটি ঠিকও হয়ে যাবে।

শেষের পাতা- এর আরো খবর