English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

নীলফামারী

উন্নয়নে এগিয়ে আওয়ামী লীগ

দেওয়ান কামাল আহমেদ
সভাপতি, জেলা আওয়ামী লীগ

  • ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ বলেন, জেলায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে রয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতেই আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য। তাঁরা সবাই রাজনীতিতে দক্ষ। সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজামান নূর নেতৃত্বের অগ্রণী ভূমিকা পালন করায় জেলার উন্নয়ন হয়েছে ব্যাপক।

উন্নয়নের বিবরণ দিতে গিয়ে কামাল আহমেদ বলেন, মেডিক্যাল কলেজ, ডায়াবেটিক হাসপাতাল, উত্তরা ইপিজেড, নার্সিং ইনস্টিটিউট, যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, নীলফামারী সরকারি কলেজে অনার্স কোর্স চালু, মাস্টার্স কোর্স চালু, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি কলেজে অনার্স কোর্স চালু, সদর আধুনিক হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়নসব এই সময়ে হয়েছে। যোগাযোগব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জেলার উত্তর সীমান্তের চিলাহাটি থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নতুন নতুন ট্রেন চালুসহ রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হয়েছে। সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের ক্লিন ইমেজে উন্নয়নের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে গোটা জেলায়। একমাত্র উত্তরা ইপিজেডে কর্মসংস্থান হয়েছে ৩২ হাজার মানুষের। এর প্রভাবে গোটা জেলায় বিস্তার ঘটেছে শিল্প-কলকারখানার। উন্নয়নের ছোঁয়ায় একসময়ের মঙ্গা এখন আর নেই। বিদ্যুৎ পৌঁছেছে সবার ঘরে। বিগত আর কোনো সরকারের আমলে এমন উন্নয়ন হয়নি। এমন উন্নয়নের জোয়ারে আমরা এগিয়ে আছি চারটি আসনে।

কামাল আহমেদ বলেন, মানুষ এখন অনেক সচেতন, সরকারের অনেক সুফল তাদের ঘরে পৌঁছেছে। আরো উন্নয়নের জন্য তারা নিজেরাই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসাবে। নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জেলার বিভিন্ন স্তরের সংগঠনের সভা-সমাবেশ অব্যাহত আছে। এসব সভা-সমাবেশে সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরা হচ্ছে। দিনে দিনে আরো বাড়বে কার্যক্রম। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা পৌরসভা, জেলায় আওয়ামী লীগসহ সব অঙ্গসংগঠন চাঙ্গা মনোভাবে আছে। বর্তমানে সর্বস্তরের নেতাকর্মীই নির্বাচনমুখী। সবাই শতভাগ প্রস্তুত।

দলে ঐক্যের ব্যাপারে কামাল আহমেদ বলেন, বৃহত্তর স্বার্থে কোনো অনৈক্য নেই দলে। জামায়াত-বিএনপির যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা প্রতিহতে আমরা সজাগ আছি।

জেলায় সুস্থ ধারার রাজনীতির ব্যাপারে দেওয়ান কামাল আহমেদ বলেন, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এ জেলার কৃতি সন্তান। নীলফামারী-২ আসন থেকে পরপর তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। জেলায় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তিনিই অভিভাবক। তিনি নীলফামারীর রাজনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনে একটি সুস্থ ধারার রাজনীতি প্রবর্তন করেছেন।

জেলার জলঢাকা আওয়ামী লীগে দ্বন্দ্বের ব্যাপারে তিনি বলেন, জলঢাকা উপজেলায় কিছুটা অরাজনৈতিক আচরণ রয়েছে কিছু নেতাকর্মীর মধ্যে, সেটি মোটেও কাম্য নয়। একটি বড় দল হিসেবে বিভিন্ন ধরনের নেতাকর্মী থাকবে। মনোনয়নের প্রত্যাশাও বিভিন্নজনের থাকবে। এ জন্য প্রতিপক্ষকে কথায় কথায় আক্রমণ করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা সেখানকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। দ্রুত সমস্যাগুলো নিরসনের চেষ্টাও করছি। নির্বাচিত একজন এমপিকে আমাদের সম্মান অবশ্যই জানাতে হবে।

মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির ব্যাপারে কামাল আহমেদ বলেন, নির্বাচনের আগে কোনো কমিটিরই কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে না। মেয়াদ শেষ হলেও এসব কমিটির সব সদস্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।

শেষের পাতা- এর আরো খবর