English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

ঠাকুরগাঁও

মানুষ বিএনপিকে ভালোবাসে, আগামী নির্বাচনেই প্রমাণ

তৈমুর রহমান
সভাপতি, ঠাকুরগাঁও বিএনপি

  • ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

কালের কণ্ঠ : আপনাদের দলের নির্বাচনী প্রস্তুতি কেমন?

তৈমুর রহমান : নির্বাচন সামনে রেখে জেলার তিনটি আসনেই নেতাকর্মীরা প্রস্তুত। এর মধ্যে ১ ও ২ আসনে দলের মহাসচিব নিজেই প্রার্থী হতে পারেন। ৩ আসনে স্থানীয় একজন প্রার্থী হতে পারেন। তবে এখনো কোনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি।

কালের কণ্ঠ : নির্বাচনী মাঠে নেতাদের সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না কেন?

তৈমুর রহমান : মামলার কবলে পড়ে নেতাকর্মীরা পুলিশি হয়রানির শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। দলের নেতাকর্মীরা দলের কমান্ড ও শৃঙ্খলা মেনে চলে। তাই যখন সময় আসবে, কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা আসবে, তখন সবাই মাঠে সক্রিয় হবে। আমরা কেন্দ্রের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি।

কালের কণ্ঠ : ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে যে সহিংসতা হয়েছিল, এবারের নির্বাচনেও কি সেভাবে হবে?

তৈমুর রহমান : বিএনপি একটি অহিংস দল। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে যে সহিংসতা হয়েছিল তার সঙ্গে বিএনপির সম্পৃক্ততা নেই। বিএনপি কখনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বিশ্বাস করে না। সন্ত্রাসী কায়দায় নির্বাচনও করবে না। তবে জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ অবস্থান নিয়ে মাঠে অবশ্যই থাকবে।

কালের কণ্ঠ : সাধারণ মানুষ বিএনপিকে কেন ভোট দেবে?

তৈমুর রহমান : দেশে বর্তমানে গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সাধারণ মানুষ এবার বিএনপিকে ভোট দেবে।

কালের কণ্ঠ : ঠাকুরগাঁও বিএনপিতে পারিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি চলছে। আপনার মতামত কী?

তৈমুর রহমান : বিএনপি মহাসচিব ঠাকুরগাঁওয়ের সন্তান। এ ক্ষেত্রে অনেকের ধারণা, এখানে পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি চলছে। এ কথা একেবারেই মিথ্যা। মহাসচিব একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি হওয়ায় দলের সবাই তাঁর নির্দেশ মেনে চলে। আর মহাসচিবের পিতাও একজন বিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তি ছিলেন। সব দিক বিবেচনা করলে পারিবারিকভাবেই এই পরিবার রাজনৈতিক পরিবার। সে জন্য সবাই এই পরিবারের সদস্যদের প্রতি ভরসা রাখে।

কালের কণ্ঠ : স্বাধীনতার পর এই জেলায় বিএনপি কখনো সুবিধাজনক অবস্থায় আসতে পারেনি কেন?

তৈমুর রহমান : স্বাধীনতার পর এই জেলার বেশির ভাগ মানুষ বাম রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিল। ধীরে ধীরে অনেকে দল পরিবর্তন করে ভিন্ন ভিন্ন দলে যোগ দেন। কেউ আওয়ামী লীগে, কেউ বিএনপিতে। তবে বিএনপিকে যে সাধারণ মানুষ মনেপ্রাণে সমর্থন করে সেটা আগামী নির্বাচনে প্রমাণ পাওয়া যাবে। এই জেলায় বিএনপির অবস্থান এখন অনেক শক্তিশালী।

কালের কণ্ঠ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই জেলায় বিএনপি কেমন ফল করবে বলে মনে করেন?

তৈমুর রহমান : যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়, তবে এই জেলার তিনটি আসনেই বিএনপি বিপুল ভোটে বিজয় লাভ করবে। কারণ ১ ও ২ আসনে এবার দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেই প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শেষের পাতা- এর আরো খবর