English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

মজুরি চূড়ান্ত হতে পারে আগামী সভায়

ডিসেম্বরেই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হবে —বিজিএমইএ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক   
  • ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

তৈরি পোশাক খাতের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চতুর্থ সভা শেষ হলো কোনো রকম সিদ্ধান্ত ছাড়াই। তবে তৈরি পোশাক কারখানার মালিক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ-এর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরেই গার্মেন্ট শিল্পের শ্রমিকের জন্য মজুরি বোর্ড নির্ধারিত বেতন কাঠামো কার্যকর হবে।

গতকাল সোমবার রাজধানীর তোপখানা রোডে অবস্থিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডের সভা শেষে এ কথা জানান তিনি। বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে চতুর্থ সভায় নীতিনির্ধারণী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মজুরির চূড়ান্ত বিষয়টি আগামী সভায় হতে পারে।

আমাদের বোর্ডের হাতে অক্টোবরের ১৭ তারিখ পর্যন্ত সময় আছে। তবে সময় যাই থাক চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে মজুরি বোর্ড নির্ধারিত বেতন কার্যকর হবে।

নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আমিনুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ এখনো হয়নি। চলতি মাসের ১২ সেপ্টেম্বর আরো একটি সভা হবে। সেখানে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, মজুরি নির্ধারণে কাউকে জোর করে কিছু চাপিয়ে দেওয়া হবে না। আমরা কারখানার মালিকের বিষয়ে বা তার সক্ষমতার বিষয়টি যেমন দেখব একইভাবে শ্রমিকের চাহিদাকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। সভায় শ্রমিক প্রতিনিধি শামসুন্নাহার, ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের স্থায়ী সদস্য, পোশাক মালিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে সরকার গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডের সভা চলাকালে ন্যূনতম ১৬ হাজার টাকা মজুরি নির্ধারণের দাবিতে বোর্ড ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন।

আন্দোলনরত বক্তারা জানান, রপ্তানি খাতে ৮৩ শতাংশের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী গার্মেন্ট শিল্পের শ্রমিকদের অবস্থা আজ দিশাহারা। ২০১৩ সালে সরকার গার্মেন্ট শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণ করেছিল পাঁচ হাজার ৩০০ টাকা। পাঁচ বছর পরে মালিকপক্ষ শ্রমিকদের মজুরি ছয় হাজার ৩০০ টাকা প্রস্তাব করেছে। এটা শ্রমিকদের সঙ্গে তামাশা ও প্রতারণার শামিল।

পোশাক শ্রমিকদের মজুরি পর্যালোচনায় সরকার গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডের তৃতীয় সভায় গত ১৬ জুলাই মজুরি হিসেবে ছয় হাজার ৩৪০ টাকা প্রস্তাব করেছেন মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা। এ প্রস্তাবের প্রায় দ্বিগুণ ১২ হাজার ২০ টাকা প্রস্তাব করেন শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা। দুই প্রস্তাবই প্রত্যাখ্যান করেছে পোশাক খাতের শ্রমিক সংগঠনগুলো।

শিল্প বাণিজ্য- এর আরো খবর