English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

ভারতে মোবাইলে ঋণ দেওয়ার ব্যবসায় নামছে গুগল

  • বিবিসি বাংলা   
  • ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

ভারতে মোবাইল পেমেন্ট ব্যাংকের ক্রমবর্ধমান ব্যবসায় নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে গুগল। তারা এবার সাধারণ মানুষকে খুব সহজে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে বলে ঘোষণা করেছে। আমেরিকান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল ভারতের দিল্লিতে তাদের বার্ষিক ইভেন্টে আরো জানিয়েছে, তারা এ জন্য ভারতের চারটি ব্যাংকের সঙ্গে গাঁটছড়াও বেঁধেছে।

এ ব্যবস্থায় ভারতীয়রা তাদের মোবাইল ফোন থেকেই গুগলের অ্যাপ ব্যবহার করে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ঋণ পেতে পারবে বলে বলা হচ্ছেকোনো ধরনের ফরম পূরণ করার কোনো ঝামেলাই থাকবে না।

সারা পৃথিবীতে ভারতেই প্রথম গুগল এ ধরনের পরিষেবা দিতে চলেছে। পরে অবশ্য অন্য নানা দেশেও তা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির।

ভারতে ব্যাংকিং ব্যবস্থার একটি বড় দুর্বলতা হলো, কোটি কোটি ভারতীয় এখনো ব্যাংক হিসাব খুলতেই পারেনি বা খুললেও এর কোনো ব্যবহারই করতে পারে না তারা। কিন্তু গত কয়েক বছরে মোবাইল ফোনভিত্তিক পেমেন্টস ব্যাংকগুলো ভারতে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে একটি বিপ্লব এনে দিয়েছে।

পেটিএম, ফোনপে, এয়ারেটল ব্যাংকের মতো সংস্থাগুলো শুধু একটা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেই এনে দিচ্ছে ব্যাংকিংয়ের হাজারো সুবিধা। তবে এসব পেমেন্টস ব্যাংকে ঋণ চাওয়ার কোনো সুবিধা এত দিন ছিল না। সেই অভাবটাও এবার পূর্ণ করতে যাচ্ছে গুগল।

গুগলের নেক্সট বিলিয়ন ইউজারস ইনিশিয়েটিভ ও পেমেন্টসের ভাইস প্রেসিডেন্ট সিজার সেনগুপ্ত দিল্লিতে বলেছেন, আমাদের সবারই কখনো কলেজের ফি, কখনো বাড়িঘর মেরামত বা বিয়েশাদি ইত্যাদি নানা কারণে হঠাৎ লোনের দরকার পড়ে। কিন্তু ভারতে ঋণ পাওয়াটা খুব কঠিনজটিল একটা প্রক্রিয়া সেটা, অনেক কাগজপত্রর ঝামেলা। এখন এ দেশের মানুষ যাতে সহজে, দ্রুত লোন পেতে পারে সে জন্যই ভারতে চারটি পার্টনার ব্যাংকের সঙ্গে আমাদের সমঝোতা হয়েছে, যাতে গুগল পে-তে গ্রাহকদের আগে থেকেই অনুমোদিত এই ঋণ অফার করা হবে। আর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এ ব্যবস্থা চালু হয়ে যাবে।

গুগলের কর্মকর্তারা আরো জানান, ঋণের আবেদন করার মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা পড়ে যাবেকোনো ধরনের ফরম পূরণ করার কোনো ঝামেলাই থাকবে না।

ভারতে মোবাইল ফোনে লেনদেনের জন্য গুগল বছরখানেক আগে লঞ্চ করেছিল তাদের নিজস্ব অ্যাপ তেজ, হিন্দিতে যার মানে হলো তীব্র গতি।

আয় ব্যয়- এর আরো খবর