English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

খালেদার বিচারও কারাগারে

  • নিজস্ব প্রতিবেদক   
  • ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার এখন হবে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে। মামলার আসামি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অন্য মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে এই কারাগারে বন্দি আছেন। তিনি জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় শুনানির নির্ধারিত কয়েকটি তারিখে হাজিরা না দেওয়ায় কারাগারেই আদালত বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে আইন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তার কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কারাগারে আদালত বসানোর এই সিদ্ধান্তে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। তাঁরা বলেছেন, এটি আইনের পরিপন্থী।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিচারকাজ চলছিল রাজধানীর বকশী বাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে। এ মামলায় খালেদা জিয়াকে সেখানে হাজির করতে না পারায় যুক্তিতর্ক শুনানি বারবার পেছাতে হচ্ছিল। এ কারণেই খালেদা জিয়া যেখানে আছেন সেখানেই আদালত বসানোর সিদ্ধান্ত হলো। জানা গেছে, কারাগারের আদালতে আজই এ মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হবে।

গতকাল এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে সাংবাদিকদের বলেন, খালেদা জিয়ার মামলাটা গত ফেব্রুয়ারি থেকে ছয় মাস হয়ে গেল কোনো কার্যক্রম করতে পারছি না। জিয়া চ্যারিটেবল মামলায় খালেদা জিয়া উপস্থিত হচ্ছেন না। এ কারণে আমরা বলেছি, খালেদা জিয়া যেখানে আছেন সেখানেই আদালত বসানো প্রয়োজন। আমরা বলার পর আজ গেজেট প্রকাশ করার সম্ভাবনা আছে। গেজেট সাপেক্ষে আগামীকাল কারাগারে আদালতের কার্যক্রম বসবে।

এক প্রশ্নের জবাবে কাজল বলেন, এটা প্রকাশ্য আদালত। জনগণ ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে, তাঁর আইনজীবীদের উপস্থিতিতে এ মামলার বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানমতে এ আদালত হচ্ছে।

মোশাররফ হোসেন জানান, কারাগারের ভেতরে আদালতের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। তিনি নিজে তা দেখে এসেছেন। এদিকে খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, কারাগারের ভেতরে আদালত বসানো গ্রহণযোগ্য নয়। এটা আইনেরও পরিপন্থী।

প্রথম পাতা- এর আরো খবর