English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

ইসির দ্বিধাদ্বন্দ্বেই ইভিএম বিতর্ক

  • কাজী হাফিজ   
  • ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দ্বিধান্বিত অবস্থানই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক বাড়িয়েছে বলে নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের ধারণা। তাঁরা বলছেন, আট বছর আগে শুরু করা এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে এত দিন এই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিরোধিতার সুযোগ থাকত না। কে এম নুরুল হুদার বর্তমান নির্বাচন কমিশন ছাড়াও আগের কমিশনের সদস্যরা বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। বরং এর ব্যবহার নিয়ে সংশয় প্রকাশের ঘটনাও ঘটেছে। সর্বশেষ বর্তমান নির্বাচন কমিশনের একজন সদস্য মাহবুব তালুকদার এ বিষয়ে তাঁর নোট অব ডিসেন্ট-এ সংশয় প্রকাশ করেন।

সাবেক মন্ত্রিপরিষদসচিব ও সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) সাবেক চেয়ারম্যান ড. সাদত হুসাইন কালের কণ্ঠকে বলেন, বর্তমান সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের প্রস্তুতি নেই জানিয়েও ইসি হঠাৎ এ বিষয়ে উদ্যোগী হয়ে ওঠায় নানা প্রশ্ন উঠেছে।

আরেক সাবেক মন্ত্রিপরিষদসচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে ইভিএম ব্যবহার ধাপে ধাপে বাড়ানো উচিত ছিল। জাতীয় নির্বাচনেও এর ব্যবহার ব্যাপকভাবে না করে সীমিতভাবে করা যেতে পারে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এক কর্মকর্তার মতে, ইভিএম নিয়ে ইসির দ্বিধান্বিত অবস্থানই এ বিষয়ে বিতর্কের সুযোগ করে দিয়েছে।

কে এম নুরুল হুদার বর্তমান নির্বাচন কমিশন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গত বছর ১৬ জুলাই যে কর্মপরিকল্পনা বা রোডম্যাপ প্রকাশ করে তার খসড়াতে বলা ছিল, ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। ফেব্রুয়ারিতে ইভিএম ব্যবহারে উপযোগী করা, সময়সূচি ঘোষণার ৩০ দিন আগে ইভিএম ব্যবহারের উপযোগিতাসংক্রান্ত প্রচারণা চালানো হবে। কিন্তু চূড়ান্ত কর্মপরিকল্পনায় ইভিএমের বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়।

এ অবস্থায় গত বছর নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে ইভিএমের মাধ্যমে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব রাখে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। তবে ওই সংলাপে বেশির ভাগ দলই এ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিপক্ষে মত দেয়।

নির্বাচন কমিশন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের প্রস্তুতি নেই জানালেও গত এপ্রিলে বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন, ভোটারদের এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া ও প্রদর্শনের জন্য ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রাথমিকভাবে দুই হাজার ৫৩৫ সেট ইভিএম কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। গত ১৬ এপ্রিল এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও দরপ্রস্তাব পাঠানোর বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। এ ছাড়া গত ১৭ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন সচিবকে প্রধান করে সাত সদস্যের একটি দরপ্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটিও করা হয়। কমিটিতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের বাইরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের একজন করে প্রতিনিধিও রাখা হয়।

বিষয়টি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার গত ৩০ আগস্ট ইভিএম ব্যবহারের বিরুদ্ধে দেওয়া তাঁর নোট অব ডিসেন্টে উল্লেখ করেন, পরীক্ষামূলক ব্যবহারের জন্য দুই হাজার ৫৩৫টি ইভিএম ক্রয়ের নিমিত্ত ৫০ কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দের ব্যাপারে আমি গত ৮ এপ্রিল তারিখে ভিন্নমত প্রকাশ করেছিলাম।

সব শেষে নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি দেড় লাখ ইভিএম সংগ্রহের জন্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরের এডিপিবহির্ভূত তিন হাজার ৮২১ কোটি টাকার একটি নতুন প্রকল্প প্রস্তাব গ্রহণ করে তা অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। এরপর গত ৩০ আগস্ট নির্বাচন কমিশন সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের লক্ষ্যে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ বা আরপিও সংশোধনী প্রস্তাব চূড়ান্ত করে। একজন কমিশনারের আপত্তির মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়।

প্রেক্ষাপট ও দ্বিধা : ২০০২ সালের আগস্টে এম এ সাঈদের নির্বাচন কমিশন ভারতের তৈরি কয়েকটি ইভিএম এনে এ প্রযুক্তি দেশে ব্যবহারের সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নেয়, কিন্তু বিষয়টি শুরুতেই থেমে যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর আগের মেয়াদে ২০১০ সালের ২১ নভেম্বর ইসিকে দেশের সব নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। ২০১১ সালের ২৯ মার্চ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ইসি সচিবালয়কে বলা হয়, ইভিএম চালুর লক্ষ্যে দ্রুত প্রকল্প প্রস্তাব পেশ করতে হবে। তবে সে সময়ের ড. এ টি এম শামসুল হুদার এবং পরে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের কমিশন প্রস্তাব পেশ করতে পারেনি।

২০১১ সালে প্রকাশিত শামসুল হুদা কমিশনের পঞ্চবার্ষিক কৌশলগত পরিকল্পনায়ও ইভিএম ব্যবহারের বিষয়টিকে বিপুল শ্রমসাধ্য ও অর্থব্যয়সাপেক্ষ বলে মত দিয়ে বলা হয়, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন কতটা কাজে লাগানো সম্ভব হতে পারে তার সীমা সম্পর্কে সচেতন থাকাও নির্বাচন কমিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ডিজিটাল প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান প্রত্যাশা পূরণের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে এই বিষয়টিও মনে রাখতে হবে যে অনেক মানুষের আয়ত্তেই এখনো কম্পিউটার ও কম্পিউটারসংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি, বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট সংযোগ এবং কম্পিউটার দক্ষতা নেই।

তবে এ অবস্থানের পরেও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আংশিক এবং কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পুরোপুরি ইভিএমের সফল ব্যবহারের পর শামসুল হুদা কমিশন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে অবস্থান নেয়।

রকিবউদ্দীন আহমদের কমিশন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং উপজেলা নির্বাচন সম্পন্ন করে ইভিএম ছাড়াই। এর আগে ২০১৩ সালের জুন মাসে গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েও শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করে দেওয়া হয়। এরপর পাঁচ বছর আর কোনো নির্বাচনেই এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়নি।

অথচ ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অগ্রাধিকার ব্যয় খাত/কর্মসূচিসমূহ সম্পর্কে বলা হয়, নির্বাচন সম্পর্কিত তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি ইভিএমের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে সহজ ও স্বল্পতম সময়ে সম্পন্ন হবেবিধায় এ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, ওই সময় কমিশনকে বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেওয়া হলে ২০১৪ সালের ইউনিয়ন পরিষদের দু-একটি উপনির্বাচনে এটি ব্যবহারের সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখা শুরু হয়। কিন্তু ওই সময় ইউপি নির্বাচন বিধিমালায় এ প্রযুক্তির মাধ্যমে ভোটগ্রহণের কোনো বিধান ছিল না। পরে ২০১৫ সালের ১৮ জুন বিধিমালায় তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

কিছু নজির : ড. শামসুল হুদা কমিশনের উদ্যোগে ২০১০ সালের ১৭ জুন অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একটি ওয়ার্ডে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইভিএম ব্যবহার করা হয়। ওয়ার্ডটি ছিল জামালখান রোডের ২১ নম্বর ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডের মোট ১৪টি কেন্দ্রের ৭৯টি ভোটকক্ষে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হয়। তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার স্টিফেন ইভান্স প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে সফলভাবে ই-ভোটিং পদ্ধতি প্রয়োগ করাতে নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা করেন।

এরপর নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পুরোপুরিভাবে ইভিএম ব্যবহারের পরিকল্পনা নেয় ড. শামসুল হুদা কমিশন। এরপর বিএনপির বিরোধিতার মুখেও ২০১১ সালের ৩০ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডের ৫৮টি কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হয়। ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সব ভোটকেন্দ্রেই ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। ওই বছরের ১৯ জানুয়ারি নরসিংদী পৌরসভায় চেয়ারম্যান পদের উপনির্বাচনে সব কেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হয়। ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হয় একটি ওয়ার্ডের চারটি কেন্দ্রে। এসব ইভিএম তৈরি করেছিল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স টেকনোলজি বিভাগ। বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিফ) এ মেশিন তৈরিতে সহযোগিতা করে।

রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন কমিশনের অধীনে ২০১৩ সালের ১৫ জুন অনুষ্ঠিত রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে চার সিটিতে একটি করে মোট চারটি ওয়ার্ডের মাত্র ১৩টি কেন্দ্রে ইভিএমে ভোট নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এর মধ্যে রাজশাহী সিটির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ভোটকেন্দ্রে সাতটি ইভিএম বুথের মধ্যে একটিতে ইভিএমে সমস্যা দেখা দেওয়ায় ওই বুথের ভোটের ফল জানা যায়নি। এ কারণে ওই কেন্দ্রে কাউন্সিলর পদে ফের ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হয়। তার আগে নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জেও একটি করে ইভিএমে সমস্যা হয়েছিল। তবে রাজশাহীর ওই ঘটনার পর ইভিএম নিয়ে দীর্ঘদিন কোনো আলোচনায় বসতে রাজি ছিলেন না কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ।

রাজশাহীতে ইভিএমের ওই ত্রুটি সম্পর্কে বুয়েটের অভিযোগ ছিল, নির্বাচন কমিশন তাদের পরামর্শ উপেক্ষা করে দেশি ব্যাটারি ব্যবহার করার জন্য ওই সমস্যা হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন ওই অভিযোগ অস্বীকার করে।

দেশে তৈরি ইভিএম বাদ : তথ্য কমিশনকে দেওয়া নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে ড. শামসুল হুদা কমিশন প্রথম পর্যায়ে বুয়েট থেকে প্রতিটি ১১ হাজার ৫৫৬ টাকা করে মোট ১৪ লাখ চার হাজার টাকায় ১৩০টি ইভিএম সংগ্রহ করে। দ্বিতীয় পর্যায়ে বুয়েট থেকে আরো উন্নত ৪০০টি ইভিএম সংগ্রহ করা হয়। এর মূল্য প্রতিটি ৩২ হাজার ৫৪৬ টাকা ৫০ পয়সা করে মোট এক কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা। তৃতীয় পর্যায়ে বিএমটিএফ থেকে ৭০০ ইভিএম সংগ্রহ করা হয়, যার মূল্য প্রতিটি ৪৬ হাজার ৫০১ টাকা দুই পয়সা করে মোট তিন কোটি ২৫ লাখ ৫০ হাজার ৭১৪ টাকা।

তবে দেশে তৈরি এই ইভিএম বাতিল করে নিজেদের বিদায়বেলায় কাজী রকিব কমিশন বায়োমেট্রিক্স ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে ভোটার শনাক্তের ব্যবস্থাসহ নতুন ইভিএমের বিষয়ে উদ্যোগী হয়। ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই নির্বাচন কমিশনের কাছে এই নতুন ইভিএম প্রটোটাইপ প্রদর্শনের ব্যবস্থা করেন সে সময়ের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (বর্তমানে মেজর জেনারেল) সুলতানুজ্জামান মো. সালেহ উদ্দিন। ওই সময় নতুন এই ইভিএমের উপযোগিতা যাচাইয়ের জন্য একটি কারিগরি কমিটিও গঠন করা হয়। এ কমিটির উপদেষ্টা ছিলেন অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী। বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরাও এ কমিটিতে ছিলেন। ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর এ কমিটির প্রথম সভা হয়। এই নতুন ইভিএমই বর্তমান নির্বাচন কমিশন ব্যবহার করছে। বিএমটিফের মাধ্যমে এই মেশিন সিস্টেম ও যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমান কমিশন রংপুর, খুলনা, গাজীপুর, সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এবং কক্সবাজার পৌরসভার কিছু কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করেছে। এর মধ্যে বরিশাল সিটিতে একটি কেন্দ্রে ইভিএম অকার্যকর ছিল। সেখানে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হয়।

প্রথম পাতা- এর আরো খবর