English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

গদ্য : মংডুর পথে

জেএসসি প্রস্তুতি বাংলা

লুৎফা বেগম, সিনিয়র শিক্ষক, বিএএফ শাহীন কলেজ, কুর্মিটোলা, ঢাকা

  • ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

সৃজনশীল প্রশ্ন : বাংলাদেশের বেশির ভাগ পুরুষ ঘরে লুঙ্গি পরে। এ ছাড়া বাইরে শার্ট, পায়জামা-পাঞ্জাবি আর মেয়েরা শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ ও ওড়না পরে। স্কুল-কলেজে ছাত্ররা শার্ট-প্যান্ট ও মেয়েরা জামা, সালোয়ার-কামিজ ও জুতা পরে।

ক) ব্যান্ডেল রোড কোথায়?

উত্তর : ব্যান্ডেল রোড চট্টগ্রামে।

খ) চীবর কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর : বৌদ্ধ ভিক্ষুদের পরিধেয় গৈরিক পোশাককে চীবর বলে।

বিপ্রদাশ বড়ুয়া তাঁর মংডুর পথে রচনায় এ সম্পর্কে লিখেছেনভিক্ষুদের পরিধেয় চীবর সেলাইবিহীন লুঙ্গির মতো। গায়ে আলাদা অন্য এক টুকরা চীবর থাকে। হাতকাটা ও এক কাঁধ কাটা একটা গেঞ্জি থাকে, আর কোমরে বেল্টজাতীয় অর্থাৎ সেলাই করা কাপড়ের কোমর বন্ধনী থাকে। এসব মিলে ত্রিচীবর। ভিক্ষুদের চীবর বিশেষ মাপে এবং অনেক জোড়া দিয়ে সেলাই করা হয়। এটি নিয়ম। সাধারণত লাল ও লালের কাছাকাছি রঙে চীবরে রং করা হয়।

গ) উদ্দীপকের বাংলাদেশিদের সঙ্গে মিয়ানমারবাসীদের সাদৃশ্য নির্ণয় করো।

উত্তর : উদ্দীপকের বাংলাদেশিদের সঙ্গে মিয়ানমারের অধিবাসীদের পোশাকের দিক থেকে সাদৃশ্য রয়েছে।

মংডুর পথে রচনার লেখক মিয়ানমার ভ্রমণে গিয়ে লক্ষ করেছেন যে মিয়ানমারের সবাই লুঙ্গি পরে। মেয়েদের পরনে থাকে লুঙ্গি ও ঝলমলে ব্লাউজজাতীয় জামা বা গেঞ্জি। ছেলে-বুড়ো, তরুণ-তরুণী সবাই লুঙ্গি পরে। স্কুলের পোশাকও লুঙ্গি ও জামা বা শার্ট। সেখানকার সব সম্প্রদায়ের মানুষ লুঙ্গি পরে। লুঙ্গির সঙ্গে শার্ট বা গেঞ্জি পরলে লুঙ্গির নিচে গুঁজে দেয়।

লুঙ্গি, শার্ট ও বর্মি কোট, মাথায় বর্মি টুপি, পায়ে দুই ফিতার মজবুত স্যান্ডেল বর্মিদের জাতীয় পোশাক।

উদ্দীপকের বাংলাদেশের বেশির ভাগ পুরুষ ঘরে সাধারণত লুঙ্গি পরে। এ ছাড়া বাইরে শার্ট-পায়জামা-পাঞ্জাবি ও মেয়েরা শাড়ি-সালোয়ার-কামিজ-ওড়না পরে। স্কুলে-কলেজে ছেলে-মেয়েদের নির্দিষ্ট পোশাক রয়েছে। উদ্দীপকের এই দিকটি মংডুর পথে রচনার উপর্যুক্ত বক্তব্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

ঘ) উদ্দীপকটি মংডুর পথে রচনার খণ্ডচিত্র মাত্রমন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর : উদ্দীপকটি মংডুর পথে রচনার মিয়ানমারবাসীদের পোশাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা ছাড়া আর কিছু নেই বলে এটি খণ্ডচিত্র মাত্র।

এ ছাড়া মংডুর পথে রচনায় আরো যা রয়েছে তা হলোআমাদের পূর্ব দিকের প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার ভ্রমণের ফলে লেখক বিপ্রদাশ বড়ুয়া যেসব অভিজ্ঞতা লাভ করেন তার কিছু বিবরণ মংডুর পথে রচনায় বর্ণিত হয়েছে। মিয়ানমারের পশ্চিম সীমান্তের শহর মংডু দিয়ে লেখকের ওই দেশ সফর শুরু হয়েছিল। মংডুর মানুষের পোশাক-পরিচ্ছদ, খাদ্যাভ্যাস, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কে এই রচনায় যেমন ধারণা পাওয়া যায়, তেমনি মংডুতে বসবাসরত বিভিন্ন ধর্মের লোকের পরিচয়ও পাওয়া যায়। সেখানকার মেয়েরা অনেকটা স্বাধীনভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য করে। একসময় মংডু ছিল আরাকান নামের এক স্বাধীন দেশের অংশ। আরাকানে ছিল মুলমানদের শাসন। মিয়ানমারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রাধান্য থাকলেও মংডুতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসলমানের বসবাস লক্ষ করেছেন লেখক।

উদ্দীপকের বাংলাদেশিদের বেশির ভাগ মানুষের পরিধেয় পোশাকের কথা শুধু বলা হয়েছে, যার সঙ্গে মিয়ানমারবাসীদের পোশাকের সাদৃশ্য রয়েছে।

উদ্দীপকের বক্তব্যের বাইরে মংডুর পথে রচনায় লেখকের আরো অনেক অভিজ্ঞতার বর্ণনা রয়েছে বলে উদ্দীপকটি মংডুর পথে রচনার খণ্ডচিত্র মাত্র।

পড়ালেখা- এর আরো খবর