English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

জেএসসি প্রস্তুতি বিজ্ঞান

সুনির্মল চন্দ্র বসু, সহকারী অধ্যাপক, সরকারি মুজিব কলেজ, সখীপুর, টাঙ্গাইল

  • ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

পাঠ প্রস্তুতি

পঞ্চম অধ্যায়

সমন্বয় ও নিঃসরণ

সৃজনশীল প্রশ্ন

১। নিলয় খুব মন দিয়ে দুটি ছবি আঁকল।

i. নিউরন ও ii. মস্তিষ্ক

ক) ফ্লোরিজেন কী? ১

খ) ফাইটোহরমোন বলতে কী বোঝায়? ২

গ) নিলয়ের আঁকা প্রথম চিত্রটি এঁকে এর বিভিন্ন অংশ চিহ্নিত করো। ৩

ঘ) নিলয়ের অঙ্কিত দ্বিতীয় চিত্রটির প্রধান অংশটি বিশেষ বিশেষ কর্মকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে বিশ্লেষণ করো। ৪

উত্তর : ক) ফ্লোরিজেন হলো এক প্রকার হরমোন, যা পাতায় উৎপন্ন হয় এবং তা পত্রমূলে স্থানান্তরিত হয়ে পত্রমুকুলকে পুষ্পমুকুলে পরিণত করে। তাই ফ্লোরিজেন উদ্ভিদে ফুল উৎপন্ন হয়।

খ) উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি উদ্ভিদদেহে উৎপাদিত বিশেষ কোনো জৈব রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে হয়ে থাকে। উদ্ভিদের সব কাজ নিয়ন্ত্রণকারী জৈব রাসায়নিক পদার্থকে ফাইটোহরমোন বলে। এরা কোষে উৎপন্ন হয় এবং উৎপত্তিস্থল থেকে বাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানের কোষের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।

গ) নিলয়ের আঁকা প্রথম চিত্রটি হলো নিউরন। নিউরন এঁকে এর বিভিন্ন অংশ চিহ্নিত করা হলো

ঘ) দ্বিতীয় অঙ্কিত চিত্রটি হলো মস্তিষ্ক। এর প্রধান অংশটি হলো গুরু মস্তিষ্ক। গুরু মস্তিষ্ক বিশেষ বিশেষ কর্মকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। গুরু মস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম এদের ডান ও বাঁ দিকের দুটি খণ্ডকে ডান ও বাঁ সেরিবাল হেমিস্ফিয়ার বলে। মানব মস্তিষ্কে সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার অধিকতর উন্নত ও সুগঠিত। এর উপরিভাগ ঢেউতোলা ও ধূসর বর্ণের। দেখতে ধূসর বর্ণের হওয়ায় একে গ্রেম্যাটার বলে। মস্তিষ্কের ভেতরের স্তরের নাম হোয়াইট ম্যাটার। এর মধ্য দিয়ে স্নায়ুতন্ত্র এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যায়। দর্শন, শ্রবণ, ঘ্রাণ, চিন্তা-চেতনা, স্মৃতি, জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও পেশি চালনার ক্রিয়াকেন্দ্র গুরু মস্তিষ্কে অবস্থিত।

২। নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ করো :

ক) নিউরন কী? ১

খ) মেরুরজ্জু বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো। ২

গ) চিত্রে R চিহ্নিত অংশের গঠন বর্ণনা করো। ৩

ঘ) জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও পেশি চালনার কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করাই P চিহ্নিত অংশটির কাজউক্তিটি বিশ্লেষণ করো। ৪

উত্তর : ক) স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একককে নিউরন বলে।

খ) মেরদণ্ডের মধ্যে মেরুরজ্জু সংরক্ষিত থাকে। মেরুরজ্জুর ধূসর পদার্থ থাকে ভেতরে এবং শ্বেত পদার্থ থাকে বাইরে অর্থাৎ মস্তিষ্কের উল্টা মেরুরজ্জুর শ্বেত পদার্থের ভেতর দিয়ে আজ্ঞাবাহী ও অনুভূতিবাহী স্নায়ুতন্ত্র যাতায়াত করে।

গ) চিত্রে জ চিহ্নিত অংশটি হলো পশ্চাৎ মস্তিষ্ক বা লঘু মস্তিষ্ক। এটি গুরু মস্তিষ্কের নিচে ও পশ্চাতে অবস্থিত। দেহের ভারসাম্য রক্ষা করা পশ্চাৎ মস্তিষ্কের প্রধান কাজ। এর তিনটি অংশ

১। সেরিবেলাম : পনসের বিপরীত দিকে অবস্থিত খণ্ডাংশটি হলো সেরিবেলাম। এটা অনেকটা ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে।

২। পনস : পনস লঘু মস্তিষ্কের সামনে ও নিচে অবস্থিত। একে মস্তিষ্কের যোজক বলে। এটা গুরু মস্তিষ্ক, লঘু মস্তিষ্ক ও মধ্য মস্তিষ্ককে সুষুম্নাশীর্ষকের সঙ্গে যুদ্ধ করে।

৩। মেতুলা বা সুষুম্না শীর্ষক : এটা মস্তিষ্কের নিচের অংশ। সুষুম্না শীর্ষক পনসের নিম্নভাগ থেকে মেরুরজ্জুর উপরিভাগ পর্যন্ত বিস্তৃত। এটা মস্তিষ্ককে মেরুরজ্জুর সঙ্গে সংযোজিত করে। একে মস্তিষ্কের বোঁটা বলে। এটা হৃদস্পন্দন, খাদ্যগ্রহণ ও শ্বসন কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

ঘ) চিত্রে P অংশটি হলো গুরু মস্তিষ্ক।

মস্তিষ্কের প্রধান অংশ হলো গুরু মস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম। এদের ডান ও বাঁ দিকের দুটি খণ্ডকে ডান ও বাঁ সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার বলে। মানব মস্তিষ্কে সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার অধিকতর উন্নত ও সুগঠিত। এর উপরিভাগ ঢেউতোলা ও ধূসর বর্ণের। দেখতে ধূসর বর্ণের হওয়ায় একে গ্রেম্যাটার বলে। মস্তিষ্কের ভেতরের স্তরের নাম হোয়াইট ম্যাটার। এর মধ্য দিয়ে স্নায়ুতন্ত্র এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যায়। দর্শন, শ্রবণ, ঘ্রাণ, চিন্তা-চেতনা, স্মৃতি, জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও পেশি চালনার ক্রিয়াকেন্দ্র গুরু মস্তিষ্কে অবস্থিত।

পড়ালেখা- এর আরো খবর