English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

শরীর ও মন

সাঁতারই সেরা

মন সতেজ করার পাশাপাশি সাঁতার একটি উত্কৃষ্ট মানের ব্যায়ামও। ডা. রকিবুল হাসানের সঙ্গে কথা বলে সাঁতারের উপকারিতা লিখেছেন জুবায়ের আহম্মেদ

  • ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

সাঁতারে দেহের প্রায় প্রতিটি মাংশপেশি ব্যবহূত হয়। এতে প্রতিটি পেশির শক্তি বাড়ে।

সাঁতারের সময় ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাসের ফলে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ে। নিয়মিত সাঁতার কাটলে হার্টবিট স্বাভাবিক থাকে হূিপণ্ডের সংকোচন-প্রসারণের শক্তি বাড়ে। এতে হূিপণ্ডের রক্তনালিতে রক্ত জমতে পারে না ও নানা ধরনের রোগ থেকে বাঁচা যায়।

হাঁটুর সন্ধি কিংবা স্নায়বিক নানা ব্যথার সমাধানে সাঁতার বেশ উপকারী ব্যায়াম। বিশেষ করে যাদের জন্য হাঁটা বা দৌড়ানো নিষেধ, সাঁতার তাদের জন্য বিকল্প সমাধান। কারণ এতে শরীরের ওজন বহন করতে হয় না। ফলে হাঁটুর সন্ধিতে চাপ পড়ে না।

সাঁতার কাটার ফলে দেহের বিভিন্ন জয়েন্টের নড়াচড়া ও ব্যায়াম হয়। তাই জয়েন্টের ব্যথা দূর করতে সাঁতার কার্যকরী। অন্যদিকে অ্যাজমা রোগীদের জন্যও এটি ফলপ্রসূ।

নিয়মিত সাঁতার কাটলে ঘুমের মধ্যে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার প্রবণতা কমে। এতে নাক ডাকার সমস্যা থেকেও মুক্তি মিলবে।

লবণাক্ত পানি অর্থাৎ সমুদ্রে সাঁতার কাটা ত্বকের জন্য উপকারী। কারণ ওই পানিতে ত্বকের জন্য উপকারী খনিজ ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম রয়েছে।

সাঁতার কাটার ফলে বাড়তি চর্বি পুড়ে। এক ঘণ্টা সাঁতারে ৭১৫ ক্যালরি বার্ন হয়। পাঁচ মাইল বেগে সমপরিমাণ সময় দৌড়ালে পুড়ে ৬০৬ ক্যালরি।

সুইমিং পুলের উষ্ণ পানিতে সাঁতারের ফলে মস্তিষ্কের সেরিব্রাল ধমনিতে প্রায় ১২ ভাগ রক্ত প্রবাহ বাড়ে। এতে মগজেরও ব্যায়াম হয়ে যায়।

দলছুট- এর আরো খবর