English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

  • ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

ইলিশের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন

ইলিশের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই দল বিজ্ঞানী। দল দুটি আলাদাভাগে গবেষণা চালালেও সফল হওয়ার বিষয়টি তাঁরা জানিয়েছেন প্রায় একই সময়ে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ফলে এ মাছের সার্বিক জৈবিক কার্যক্রম সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া যাবে। এটি ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সংরক্ষণেও কাজে লাগানো যাবে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গবেষক দলটির নেতৃত্বে ছিলেন ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিকস বিভাগের অধ্যাপক সামছুল আলম। সঙ্গে ছিলেন পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক বজলুর রহমান মোল্লা, বায়োটেকনোলজির অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম ও ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিকস বিভাগের অধ্যাপক গোলাম কাদের খান। ইলিশের গবেষণায় সাফল্য পাওয়া অন্য দলটির নেতৃত্বে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হাসিনা খানম। মূল উদ্যোগটি ছিল যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি বিজ্ঞানী মং সানু মারমার। অস্ট্রেলিয়ার সাউদার্ন ক্রস ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী এ কে এম আবদুল বাতেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক রিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ ছিলেন গবেষক দলে।

রক্ত পরীক্ষায় শনাক্ত হবে ক্যান্সার

শুধু রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই আগে থেকে শনাক্ত করা যাবে ক্যান্সার। এই পরীক্ষায় খরচ হবে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা আর সময় লাগবে মাত্র পাঁচ মিনিট। এমনকি কারো রক্তের অন্য কোনো পরীক্ষা করার সময়ও সহজেই জানা যাবে তার ক্যান্সার আছে কি না। বিজ্ঞানের এই যুগান্তকারী সাফল্যের সূচনা ঘটিয়েছেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। উদ্ভাবনে ২৫ সদস্যের গবেষণা টিম কাজ করে। নেতৃত্বে ছিলেন শাবিপ্রবির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন হক। টিমের অন্যতম সদস্য প্রফেসর ড. শরীফ মো. শরাফুদ্দিন, ড. মানস কান্তি বিশ্বাস ও ড. এনামুল হক। গবেষকরা জানান, আগামী এক বছরের মধ্যে এই প্রযুক্তির ডিভাইস তৈরি করা সম্ভব হবে। উদ্ভাবনী প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে ক্যান্সার ছাড়া অনেক অসুখবিসুখ সহজেই চিহ্নিত করা যাবে।

চাকরি আছে- এর আরো খবর