English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

ঘুরে আসুন সিলেটের পর্যটন স্পটগুলোতে

  • কালের কণ্ঠ অনলাইন   
  • ২৬ আগস্ট, ২০১৮ ১২:১১

সিলেট জেলার জাফলং, লালাখাল, রাতারগুল, বিছনাকান্দি, পাংথুমাইকে ঘিরে পর্যটকদের আগ্রহ সারা বছরই থাকে। ঈদুল আযহার লম্বা ছুটিতেও তাই এর ব্যতিক্রম নেই, বরং এবছরের ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের সংখ্যা আগের তুলনায় কয়েকগুণ বেড়েছে।

নগরীর বিভিন্ন হোটেল মোটেল ঈদের আগে থেকেই বুক করা, ফাঁকা নেই কোথাও। সারা দেশ থেকে হাজার হাজার সৌন্দর্য পিপাসু মানুষ ছুটে এসেছেন সিলেটে। কেউবা পরিবার পরিজন নিয়ে, কেউ আবার বন্ধুবান্ধবের সাথে।

সিলেট জেলার ছয় পর্যটন স্পটের পাশাপাশি চা-বাগান, কমলা বাগান, খাসিয়াপুঞ্জি সবই ঘুরে দেখছেন পর্যটকরা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পর্যটকরে ভিড় জাফলং-এ। গোয়াইনঘাট উপজেলার এ পাথরবেষ্টিত পর্যটনকেন্দ্র দেশের অন্যতম সুপরিচিত বলেই এখানে ভিড়টা তুলনামুলকভাবে বেশি।

বিছানাকান্দিতেও পর্যটকদের ঢল নেমেছে। বাইরে থেকে আসা পর্যটকদের সাথে যোগ দিয়েছেন সিলেটের স্থানীয় সৌন্দর্য পিয়াসিরাও। মেঘালয় থেকে নেমে আসা স্বচ্ছ জলের নদী পিয়াইন আর পাংথুমাই-এর পাহাড়ী ঝরণা মন কেড়েছে সবার। নৌপথে এক ঘণ্টার মনোরম ভ্রমণের পর জলে নামা থেকে বিরত থাকতে পারেন না কেউই। অনেকেই সদলবলে মেতে ওঠেন জলকেলিতে। ঠাণ্ডা জলের স্পর্শে নিজেকে মাতিয়ে রাখেন।

জাফলং, লালাখাল, বিছনাকান্দির মতো রাতারগুলেও প্রচুর পর্যটক এসেছেন এবার। নৌকা নিয়ে ঘুরে বেড়ানো আর ওয়াচ টাওয়ার থেকে বনের সৌন্দর্য অবলোকনে দেশের নানা প্রান্ত থেকে ভিড় জমাচ্ছেন পর্যটকরা। এ ছাড়াও মালনিছড়া, লাক্কাতুরা, জাফলং চা বাগানেও পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার পাল জানান, প্রতিটি ঈদেই গোয়াইনঘাট উপজেলার রাতারগুল, বিছনাকান্দি, জাফলং এ পর্যটক সমাগম বেশি হয়। আমরা পর্যটকদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি এবারও। ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি রাখা হয়েছে উদ্ধারকারী দল। এ ছাড়া পর্যটকদের জন্য বিশেষ হেল্প ডেস্ক খোলা হয়েছে। বিভিন্ন স্পটে ভাড়ার তালিকা টানিয়ে দেয়া হয়েছে।

এদিকে সিলেটে ঘুরতে আসা পর্যটকদের চাপে হিমশিম খাচ্ছে হোটেলগুলোও। নগরীর আবাসিক হোটেলগুলোতে তিল ধারণের জায়গা নেই। গত দুদিন থেকে অনেক পর্যটককেই হোটেল না পেয়ে ফিরে যেতে দেখা গেছে। নগরীর জিন্দাবাজারের হোটেল গোল্ডেন সিটির ব্যবস্থাপক মিষ্টু দত্ত জানান, শুক্রবার থেকে হোটেলে ভিড় বাড়তে থাকে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত আমাদের পুরো হোটেলই বুক হয়ে যায়। এরপর থেকে অনেককেই ফিরিয়ে দিতে হয়েছে।

তবে পর্যটকদের অভিযোগের ব্যাপারে সিলেটের জেলা প্রশাসক নুমেরী জামান বলেন, পর্যটকদের অভিযোগ একেবারেই ভুল নয়, তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিছনাকান্দি, পাংথুমাইতে ওয়াসব্লক নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। শীঘ্রই এটি স্থাপন করা হবে। আগামী ৬/৭ মাসের মধ্যে জাফলং, জৈন্তাসহ সিলেটের বিভিন্ন পর্যটন স্পটকে কেন্দ্র করে কয়েকটি রেস্ট হাউজ নির্মাণ করা হবে।

চলো, ঘুরে আসি- এর আরো খবর