English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

শিক্ষার্থীরা বলছে 'গাড়ি চলবে'; মালিক-শ্রমিকরা বলছে 'না'

  • কালের কণ্ঠ অনলাইন   
  • ৪ আগস্ট, ২০১৮ ১৬:২৬

মিরপুর ১০ নম্বর গোলচক্করে গাড়ির লাইসেন্স চেক করছে শিক্ষার্থীরা। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় তোলা ছবি।

চলমান নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে এখন আর পথ আটকে গাড়ি চলতে বাঁধা দিচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। তাদের বক্তব্য, গাড়ি অবশ্যই চলবে। তবে লাইসেন্স বিহীন গাড়ি চলতে দেওয়া হবে না। কিন্তু বাস মালিক-শ্রমিকরা বলছেন অন্য কথা। তারা বাস ভাঙার অজুহাত দেখিয়ে গাড়ি রাস্তায় নামাচ্ছে না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাসচালকদের বেশিরভাগেরই কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই!

আজ মিরপুর ১০, ২ এবং ১ নম্বর সেকশনে সকাল ১০টা থেকেই দলে দলে আসতে থাকে শিক্ষার্থীরা। তারা এসেই চলতি রিক্সা এবং প্রাইভেট গাড়িগুলোকে লাইন ধরে সুশৃঙ্খলভাবে চলতে বাধ্য করে। মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় বিশ্রীভাবে দাঁড়ানো যানবাহনগুলো নির্দিষ্ট লেন ধরে এগুতে থাকে। এর মাঝে ছিল ইমার্জেন্সি লেনও। শিক্ষার্থীদের বিশাল একটা অংশ বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে ঘুরে মিছিল করছিল।

তাদের কয়েকজন এসে বলল, আমরা তো বলিনি যে রাস্তায় বাস চলতে পারবে না। আমরা বলেছি, লাইসেন্স এবং ফিটনেস ছাড়া কোনো যানবাহন আমরা চলতে দেব না। এতদিন এসব কীভাবে চলেছে? পুলিশ কিছু করেনি কেন? আমরা এসবের জবাব চাই।

অন্যদিকে কোনো কারণ ছাড়াই গত দুদিন ধরে রাস্তায় বাস নামাচ্ছে না মালিক-শ্রমিকরা।বাস চলাচল বন্ধের বিষয়ে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম বলেন, আন্দোলন চলাকালে সড়কে ৩২৫টি বাস ভাঙচুর করা হয়েছে, ১১টি বাস পোড়ানো হয়েছে। আমরা এই পরিস্থিতিতে সড়কে বাস নামাতে নিরাপদ বোধ করছি না। এভাবে বাস ভাঙচুর করলে, পুড়িয়ে দিলে আমরাও ক্ষতিগ্রস্ত হই।

এদিকে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, রাজধানীর বাস-ট্রাক চালকদের বেশিরভাগেরই বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। লাইসেন্স ছাড়া পুলিশের হাত থেকে বাঁচলেও শিক্ষার্থীদের হাত থেকে বাঁচা যাবে না। তাইধরা পড়ার ভয়ে তারা রাস্তায় গাড়ি নামাচ্ছে না। গত ৬দিন ধরে বাস চালাতে না পারায় খুব স্বাভাবিকভাবেই শ্রমিকদের সংসারে টানাটানি লেগেছে। তারা এর একটা বিহিত চায়। কিন্তু মালিক এবং কিছু পরিবহন নেতাদের চাপে তারা অলস দিন পার করতে বাধ্য হচ্ছে।

নাগরিক মন্তব্য- এর আরো খবর