English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

প্রতিবন্ধী ছেলেটিকে বেদম প্রহার, অতঃপর চাঁদা দাবি

  • কালের কণ্ঠ অনলাইন   
  • ২ আগস্ট, ২০১৮ ১৪:৫৮

এমন বর্বর আচরণ করা হয়েছে প্রতিবন্ধী ছেলেটির সাথে, পরে তার মায়ের কাছ থেকে চাঁদাও দাবি করা হয়েছে

গত ৩১/০৭/২০১৮ তারিখে আমার আপন বড় বোনের একমাত্র সন্তান তাহমিদুল ইসলাম (যে জন্মগত ভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন) দক্ষিণ বনশ্রী মসজিদ মার্কেটের মসজিদে জোহরের নামাজ আদায়ের জন্য যায়। নামাজের শেষে অই এলাকার কতিপয় লোকজন, যারা অনেকদিন যাবত তাহমিদকে উত্যক্ত করে আসছিলো, তারা মোবাইল ধরার অজুহাতে ছেলেটিকে বেদম প্রহার করে রক্তাক্ত করে রাস্তায় ফেলে রাখে। পরবর্তী সময়ে আমি বিষয়টি জানতে পেরে আমার স্বামীসহ লোকজন নিয়ে গিয়ে ছেলেটিকে উদ্ধার করি এবং মুগদা মেডিক্যাল হাসপাতালে তার চিকিৎসা শেষে খিলগাঁও থানায় অভিযোগ জানাই ।

পরবর্তীতে আরো জানতে পারি, যে লোকজন তাহমিদকে মেরেছে তারা আবার আমার বড় বোনের কাছেও ২০০০০ টাকা চাঁদাও দাবি করেছে। এ বিষয়টিও আমি থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে জানাই। এর পর থেকে সংশ্লিষ্ট লোকজনের তদবির, হুমকি, ধামকি শুরু হয়ে যায় এবং আমার বড় বোন এখন প্রাণ ভয়ে ভীত অবস্থায় আছেন। এখানে উল্লেখ যে, আমার বড় বোনের হাজব্যান্ড মারা গেছেন এবং উনি খুব অসহায় অবস্থায় আমার এই ফ্ল্যাটে বসবাস করেন এবং আমিই তাকে দেখাশোনা করি।

বাংলাদেশের মাননীয় প্রধাণমন্ত্রী প্রতিবন্ধীদের জন্য যে মমতাবোধ দেখিয়েছেন, তাদের পাশে উনি সব সময় দায়ড়ান। ওনার মহানুভবতার জন্য আমি কৃতজ্ঞ ।

আমি করুণ চিত্তে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছে এই অমানবিক ঘটনার বিচার দাবি করতেছি। সেই সাথে দাবি করছি আমার অসহায় বোনের পরিবারের নিরাপত্তা যেন বজায় থাকে। আমরা কারো কাছে অর্থনৈতিক সাহায্য চাচ্ছি না, আমরা চাচ্ছি একটা অবিচারের পরিপূর্ণ বিচার হোক।

ফেসবুক থেকে সংগৃহিত (এই বিভাগে প্রকাশিত লেখা ও মন্তব্যের দায় একান্তই সংশ্লিষ্ট লেখক বা মন্তব্যকারীর, কালের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ এজন্য কোনোভাবেই দায়ী নয়)

নাগরিক মন্তব্য- এর আরো খবর