English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

আপনি কি টমেটো খান?

  • কালের কণ্ঠ অনলাইন   
  • ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৭:৪৫

টমেটোতে লাইকোপেন এবং বিটা ক্যারোটিন নামক উপাদান শরীরে প্রবেশ করে ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের যেমন বের করে দেয়, তেমনি স্ট্রেস লেভেলও দ্রুত কমিয়ে ফেলে। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। এখানেই শেষ নয়, টমাটোতে উপস্থিত ভিটামিন ই, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পটাশিয়ামও নানাভাবে শরীরকে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

শরীরকে বিষমুক্ত করে : টমেটোতে থাকাসালফার, দেহে প্রবেশ করার পর একদিকে যেমন লিভার এবং কিডনিতে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের শরীর থেকে বের করে দেয়, তেমনি এই দুই অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে ছোট-বড় রোনও রোগই ধারে কাছে আসতে পারে না।

ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : নিয়মিত একটা করে কাঁচা টমেটো অথবা এক গ্লাস টমেটোর রস খেলে শরীরের ফাইবারের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে। আর পেট ভরা থাকলে স্বাভাবিকভাবেই খাওয়ার পরিমাণও কমে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না।

কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে : শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে থাকলে হার্টের কতটা ক্ষতি হতে পারে, তা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে না! যদি হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের শিকার হতে না চান, তাহলে রোজের ডায়েটে কাঁচা টমাটোকে অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না যেন! এই সবজিটিতে থাকা ফাইবার শরীরে প্রবেশ করেই খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে শুরু করে। ফলে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে।

মৃত কোষের স্তরকে সরিয়ে ফেলে : পরিমাণ মতো টমেটোর পেস্টের সঙ্গে ১ চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। তারপর সেই মিশ্রনটি মুখে লাগিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। এমনটা প্রতিদিন করলে দেখবেন ত্বকের উপরে জমে তাকা মৃত কোষের স্তর সরে যেতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের সৌন্দর্যতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না।

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে : টমেটোতে থাকা লাইকোপেন, লুটেন এবং বিটা-ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি ছানির মতো রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হাড় শক্তপোক্ত হয় : টমেটোতে থাকা ক্যালসিয়াম, শরীরে প্রবেশ করে এমন খেল দেখায় যে হাড় শক্তপোক্ত হয়ে উঠতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে অস্টিওআর্থ্রাইটিসের মতো হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে।

সূর্যের খারাপ প্রভাব থেকে স্কিনকে বাঁচায় : বাড়ির বাইরে বের হবার আগে যদি অল্প করে টমেটোর রস মুখে লাগিয়ে নেওয়া যায়, তাহলে অতি বেগুনি রশ্মির কারণে ত্বকের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে তাপ প্রবাহের কারণে ত্বক পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়। টমেটোতে থাকা লাইকোপেন নামক একটি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ভিটামিন এবং খনিজের ঘাটতি দূর হয় : নিয়মিত ২টি করে কাঁচা টমাটো খাওয়া শুরু করলে ভিটামিনের মোট চাহিদার প্রায় সিংহভাগই মিটে যায়। সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় খনিজের ঘাটতিও মিটতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দেহের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না।

ক্যান্সার ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না : টমেটোতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি শরীরে ক্যান্সার সেলের জন্ম আটকাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে প্রতিদিন যদি ১-২টি করে কাঁচা টমাটো অথবা রস করে খাওয়া যায়, তাহলে এই মারণ রোগ নিয়ে আর চিন্তার থাকতে হবে না, এমনটাই দাবি চিকিৎসকদের। বিশেষত প্রস্টেট এবং কলোরেকটাল ক্যান্সারকে দূর রাখতে টমাটোর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ে : ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি এবং কোলিন হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই সবকটি উপাদানই প্রচুর মাত্রায় রয়েছে টমাটোতে। তাই হার্টকে যদি দীর্ঘদিন সুস্থ রাখতে চান, তো রোজের ডায়েটে এই সবজিটিকে রাখতে ভুলবেন না যেন!

ইন্টারনেট থেকে

বিবিধ- এর আরো খবর