English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

সেখানে কচ্ছপকে 'কাঁদতে' দেয় না প্রজাপতিরা

  • কালের কণ্ঠ অনলাইন   
  • ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৯:৪২

পেরুর পশ্চিমে বৃষ্টি অরণ্য। এই অঞ্চলে কচ্ছপরা কাঁদতে পারে না! কচ্ছপের চোখের পানি মুছিয়ে দেয় প্রজাপতির দল।

পর্যটকরা সেই দৃশ্য দেখে বিমোহিত হন। কিন্তু কেন প্রজাপতিরা কচ্ছপের চোখে গিয়ে ভিড় করে তা অনেকেরই অজানা। আসলে কান্না থামাতে নয়, প্রজাপতিরা কচ্ছপের চোখের পানি শুষে নেয় নিজেদের স্বার্থেই। তারা কচ্ছপের চোখের পানি থেকেই নিজেদের শরীরে লবণের ভারসাম্য বজায় রাখে।

কচ্ছপের চোখের পানিই অবশ্য একমাত্র লবণের উৎস নয় প্রজাপতিদের। প্রাণীর মূত্র, ঘামে ভেজা জামা, নদীর তীরে জমে থাকা পলি থেকেও লবণ খায় তারা। কিন্তু কেন এরকম করতে হয় তাদের?

প্রাণী বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ওই অঞ্চলের মাটিতে সোডিয়ামের পরিমাণ খুবই কম। কাছাকাছি যে লবণের ভাণ্ডার রয়েছে, সেই মহাসাগর ওই অঞ্চল থেকে ১৬০০ কিলোমিটার দূরে।

ফলে মাটিতে লবণের পরিমাণ খুব কম। নিজেদের শরীরে লবণের ভারসাম্য বজায় রাখতেই এমন আচরণ করতে হয় তাদের। কিন্তু এতে কি কচ্ছপের কোনো ক্ষতি হয়?

প্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, শারীরিকভাবে তেমন কোনো ক্ষতি হয় না। কিন্তু চোখের উপরে প্রজাপতি বসে থাকায় কচ্ছপের দৃষ্টি বাধা পায়। শিকারি বা অন্য কোনো বিপদ সামনে রয়েছে কিনা কচ্ছপের দল তা দেখতে পায় না।

প্রজাপতি ছাড়া অনেক সময় মৌমাছিদেরও এমন করতে দেখা যায়। আর এই অঞ্চলের অন্য প্রাণীরা কীভাবে লবণের অভাব মেটায়? প্রাণী বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, ম্যাকাও বা অন্য পাখিদের অনেক সময় মাটি খেতে দেখা যায়। বানরের কিছু প্রজাতিকেও মাটি খেতে দেখা গেছে।

বিবিধ- এর আরো খবর