English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

শরীয়তপুরে হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

  • শরীয়তপুর প্রতিনিধি   
  • ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:০৯

শরীয়তপুর গোলাম হায়দার খান মহিলা কলেজের অনার্স শ্রেণির ছাত্রী ও শরীয়তপুর পৌরসভার দক্ষিণ বালুচড়া গ্রামের দুবাই প্রবাসী ইছাহাক মোল্যার স্ত্রী সামসুন্নাহার তানুকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে হত্যার অভিযোগের মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন শরীয়তপুর নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল জজ আদালত।

আজ বুধবার বেলা ১১টায় শরীয়তপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আবদুস সালাম খান ১৭ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণের পর আদালতে এ আদেশ দিয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলো, শরীয়তপুর সদর উপজেরার চররোসুন্দ গ্রামের সাইফুল ইসলাম (২২), মান্নান মাদবরের ছেলে দুলাল (২২) ও একই গ্রামের রেজাউল করিম সুজন (২৩। এদের মধ্যে রেজাউল করিম পলাতক রয়েছে।

পালং মডেল থানার মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৭ আগস্ট বিকাল ৪টার সময় শরীয়তপুর পৌরসভার দক্ষিণ বালুচড়া গ্রামের ইছাহাক মোল্যার বাড়ি থেকে তার স্ত্রী সামসুন্নাহার তানু প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। স্বামী ইছাহাক মোল্যা দুবাই প্রবাসে থাকায় তার বড় ভাই আবুল কাসেম মোল্যা ওই দিনই পালং মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

পুলিশ মামলার পরিকল্পনাকারী ও প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাদ করলে হত্যার দায় স্বীকার ও সহযোগী আসামিদের নাম প্রকাশ করে। আসামির দেখানো মতে পৌরসভার ধানুকা গ্রামের সরদার নাসির উদ্দিন কালুর বাড়ি সংলগ্ন একটি ডোবা থেকে ইট বেঁধে ডুবিয়ে রাখা তানুর গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে ২২ আগস্ট পালং মডেল থানায় ৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে নিহতের ভাসুর আবুল কাসেম মোল্যা। ২০১৫ সালের ২৩ মার্চ মামলার অভিযোগ গঠন হয়। ২০১৬ সালের ১৩ জানুয়ারি মামলার সাক্ষী শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। রাষ্ট্রপক্ষ ১৭ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করে সাক্ষ্য প্রদান করেছে।

গত ৯ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্ক শুনানী হয়। আজ বুধবার বেলা ১১টার সময় ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসামিদের ফাঁসির আদেশ পড়ে শোনান। মামলার বাদী আবুল কাসেম মোল্যা ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ট্রইব্যুনালের রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী ন্যায় বিচার পায়নি তাই উচ্চ আদালতে যাবে বলে জানিয়েছেন।

সারাবাংলা- এর আরো খবর