English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন

পাঠ্যপুস্তকে ট্রাফিক নিয়ম সম্পর্কে কতটুকু লেখা আছে?

  • কালের কণ্ঠ অনলাইন   
  • ১০ আগস্ট, ২০১৮ ১৬:৩৯

ছবি : বিবিসি বাংলা

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শেষে আবার আগের চেহারায় ফিরে গেছে ঢাকা। রাস্তা জুড়ে আগের মতোই যানবাহনগুলোর এলোমেলো চলাফেরা, বাস ও গাড়িগুলোর অযথা হর্ন বাজানো তারমধ্যে পথচারীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হওয়া তো আছেই। অন্যান্য দেশে ট্রাফিক নিয়ম কানুনের বিষয়টি তাদের স্কুল পাঠ্যসূচীতে থাকলেও বাংলাদেশের স্কুলের বইগুলোতে সেটা কতটুকুআছে?

ঢাকার আজিমপুরের অগ্রণী স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সড়কে নিরাপদ চলাচলের বিষয়ে তৃতীয় শ্রেণীতে একটি বিশেষ অধ্যায় এবং চতুর্থ শ্রেণীর ইংরেজি বইয়ে একটি ছড়া রয়েছে। এছাড়া অন্য ক্লাসগুলোর পাঠ্য বইয়ে এ সংক্রান্ত আর কোনো বিষয়ে কিছুই উল্লেখ নেই।

শিক্ষিকা আফরোজা আক্তার মনে করেন,ট্রাফিক আইন মানতে শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সচেতন করে তোলার ক্ষেত্রে এই শিক্ষা যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন তিনি। তার ভাষায়, এতছোট বয়সে বাচ্চাদের এ বিষয়ে শেখানো হচ্ছে যে, সেই বিষয়গুলো বুঝে সেটা বাস্তবে প্রয়োগ করার মতো ম্যাচ্যুরিটি তাদের আসেনি। এ ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ক্লাস টেন পর্যন্ত এই বিষয়গুলো বইয়ে থাকা উচিত। আর শিক্ষকদেরও উচিত সচেতনতার সাথে সেগুলো পড়ানো।

এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ: রেজাউজ্জামান ভুইঁয়া জানান, ট্রাফিক আইন সম্পর্কে জ্ঞান সবার কাছে পৌঁছাতে ক্ষেত্রে স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে ট্রাফিক-সংক্রান্ত নিয়ম-কানুনগুলো সংযোজন করা জরুরি। তবে এর চেয়ে কঠোর আইন প্রণয়নের পাশাপাশি আইনের সঠিক প্রয়োগ আরও বেশি জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

রেজাউজ্জামান ভুইঁয়া বলেন, ছোটবেলা থেকেই শিশুদের মূল্যবোধ শাণিত করতে হয়। তাই ছোট থাকতেই যদি তাদের ট্রাফিকের এই নিয়ম কানুন সর্ম্পকে জানানো হয়, তাহলে সচেতনতা তার মগজে ঢুকে যাবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর আইন প্রয়োগ করাটা এক্ষেত্রে আরও বেশি কাজে দেবে। যারা শহরের মধ্যে ইচ্ছামত গাড়ি চালাচ্ছে, রাস্তা পার হচ্ছে তারাই কিন্তু ক্যাটনমেন্ট এলাকায় আইন মেনে চলে। কারণ সেখানে নিয়ম ভাঙলে শাস্তি পেতে হয়।

এদিকে, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ট্রাফিকের নিয়ম সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দিতে বিষয়টি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে চিঠি দেয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।

শিক্ষাঙ্গন- এর আরো খবর