English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

ডাকসু নির্বাচন না করায়

ঢাবি ভিসিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক   
  • ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৮:৫৮

হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচন না করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভিসিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে।

আবেদনে ঢাবি ভিসি ড. মো. আক্তারুজ্জামান, প্রক্টর ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানি এবং ট্রেজারার ড. কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ আজ বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ অভিযোগ দাখিল করেন।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

উল্লেখ্য, ৭ দিনের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন করার পদক্ষেপ নিতে গত ৪ সেপ্টেম্বর পাঠানো লিগ্যাল নোটিশের জবাব না পেয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন দাখিল করা হয়।

হাইকোর্ট গত ১৭ জানুয়ারি এক রায়ে ছয়মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন করার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে এ নির্বাচনের জন্য আইন শৃংখলা বাহিনীর সহায়তার প্রয়োজন পড়লে তা করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২৫ শিক্ষার্থীর করা রিট আবেদনে এ রায় দেন হাইকোর্ট। শিক্ষার্থীদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। এই রায় বাস্তবায়ন চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।

ডাকসু নির্বাচনের নির্দেশনা চেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ছাত্র আলী আসিফ সাওন, নাদিম মাহমুদ, এহসানুল হাসান, ফাহিম হোসেন মজনুসহ ২৫ শিক্ষার্থীর পক্ষে ২০১২ সালের ২১ মার্চ রিট আবেদন করা হয়। ডাকসু নির্বাচন নিয়ে দৈনিক কালের কণ্ঠ, নিউ এজ, দৈনিক ইত্তেফাকসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে এ রিট আবেদন করা হয়।

সর্বশেষ ১৯৯০ সালের ৬ জুলাই ডাকসুর নির্বাচন হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এ কারণে ২৫ শিক্ষার্থী রিট আবেদন করেন। এ রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে ওইবছরের ৮ এপ্রিল রুল জারি করেন আদালত। রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে রায় দেন হাইকোর্ট।

রিট আবেদনে বলা হয়, ১৯৯৮ সালের ২৭ মে ঢাবির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আজাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ডাকসু নির্বাচনের পর এর সময়সীমা হবে এক বছর। পরবর্তী তিনমাস নির্বাচন না হলে বিদ্যমান কমিটি কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। এ সিদ্ধান্তের পর ডাকসু ভেঙে দেওয়া হয়।

রিট আবেদনে বলা হয়, ঢাবির কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বিধান অনুযায়ী প্রতিবছর নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু তা হচ্ছে না। তাদের এই ব্যর্থতার কারণে হাজার হাজার শিক্ষার্থী তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

আইন-আদালত- এর আরো খবর