|
|
বিএনপিকে অর্থ দেওয়ার কথা বলিনি : দুররানিসাক্ষ্যের নকলের অপেক্ষায় ঢাকা খালিজ টাইমসকে বিএনপির প্রতিবাদ
কালের কণ্ঠ ডেস্ক
পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা বাহিনী ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স বা আইএসআইয়ের সাবেক প্রধান জেনারেল আসাদ দুররানি বলেছেন, বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের নির্বাচনের আগে আইএসআই বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অর্থ দিয়েছিল বলে সম্প্রতি যে খবর বেরিয়েছে, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট।
গতকাল শনিবার বিবিসি বাংলা সার্ভিসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেনারেল দুররানি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, 'পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে আমি এ রকম কোনো কথাই বলিনি।'
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদপত্র খালিজ টাইমস এবং ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেইল এ মাসের গোড়াতে খবর দেয় যে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের এক শুনানিতে দুররানি বিএনপিকে নির্বাচনের জন্য ৫০ কোটি রুপি দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
বিবিসি বাংলার মাসুদ হাসান খান রাওয়ালপিন্ডিতে জেনারেল দুররানিকে টেলিফোনে জিজ্ঞেস করেন, আদালতের শুনানিতে বিএনপির প্রধান খালেদা জিয়াকে আইএসআই টাকা দিয়েছে- এ কথা তিনি বলেছেন কি না। জবাবে জেনারেল দুররানি বলেন, তিনি এ ধরনের কোনো কথাই আদালতে বলেননি। বিএনপির অন্য কাউকে আইএসআই অর্থ দিয়েছে কি না- এ প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, 'এটা আমি মনে করতে পারছি না। আমার বিশ্বাস কেউ সেটা করেনি।' তিনি বলেন, এটি একটি ভুয়া খবর এবং এটা সাংবাদিকতার নীতিবিরোধী। কিন্তু কেন এ খবর ছাপানো হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করবেন না।
জেনারেল দুররানিকে প্রশ্ন করা হয়, বাংলাদেশের রাজনীতিকদের আইএসআই অর্থ দিয়ে থাকে কি না? জবাবে তিনি বলেন, 'আমার বিশ্বাস আমাদের সঙ্গে তাঁদের কোনো যোগাযোগ নেই। তাঁদের তরফ থেকেও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি। এ ধরনের কোনো লেনদেন হয়েছে, এমন কোনো কথাবার্তা হয়েছিল বলে আমার মনে পড়ে না।'
পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে বাংলাদেশের প্রসঙ্গে কোনো কথাবার্তা হয়েছিল কি না জানতে চাইলে দুররানি বলেন, 'আমার জানা মতে, সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কোনো কথাবার্তা হয়নি। আমি শুনানিতে যে বক্তব্য দিয়েছি, এর দলিল আদালতেই আছে, যেটা আদালত বিবেচনা করছেন। এ কারণেই আমি বলতে পারি, এ অর্থ দেওয়ার বিষয়ে আদালতে কেউ কখনো কোনো কথাই বলেনি। ফলে এ অভিযোগ অস্বীকার করতে আমার বিন্দুমাত্র দ্বিধা নেই।'
সাক্ষ্যের নকলের অপেক্ষায় ঢাকা
বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়াকে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের অর্থ দেওয়ার খবর ইসলামাবাদ নাকচ করলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বাংলাদেশ পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালতে আইএসআইয়ের সাবেক প্রধান আসাদ দুররানির দেওয়া সাক্ষ্যের নকল (ট্রান্সক্রিপ্ট) পাওয়ার অপেক্ষা করছে। গতকাল শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খালেদাকে আইএসআইয়ের অর্থ দেওয়ার খবরকে ভিত্তিহীন বলে আখ্যায়িত করে। এর আগে গত সোমবার ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছিলেন, 'ওই ট্রান্সক্রিপ্ট পাওয়া যাবে বলে আমরা আশা করছি। আমরা ট্রান্সক্রিপ্ট চাইব। এটি স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। সত্যিকার অর্থে আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে পাকিস্তানের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান কী বলেছেন, তা আমাদের জানতে হবে।'
কালের কণ্ঠের কূটনৈতিক প্রতিবেদক জানান, গতকাল সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, তিনি ওই বক্তব্যের কথা শুনেছেন। তিনি আরো বলেন, 'আমরা নকল চেয়েছি। নকল হাতে পাওয়ার পর এ ব্যাপারে বলতে পারব।'
আসাদ দুররানির সাক্ষ্য ও হলফনামার উদ্ধৃতি দিয়ে দুটি বিদেশি সংবাদমাধ্যমে (সংযুক্ত আরব আমিরাতের পত্রিকা খালিজ টাইমসে ও যুক্তরাজ্যের ডেইলি মেইল পত্রিকার অনলাইন ইন্ডিয়া সংস্করণে) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অর্থ দিয়েছিল আইএসআই। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকায় এক জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে বাংলাদেশের মাটি কলুষিত না করে খালেদা জিয়াকে 'যেখান থেকে টাকা নিয়েছেন সেই পাকিস্তানে' চলে যাওয়ারও পরামর্শ দেন। আইএসআইয়ের টাকা দেওয়াসংক্রান্ত খবরের সত্যতা নেই বলে দাবি করে বিএনপি প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
দীপু মনি গত সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, 'খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনটি আমি দেখেছি। সেখানে যা এসেছে তা কোনো পত্রিকার কোনো প্রতিবেদকের মনের মাধুরী মেশানো কথা নয়। পত্রিকাটির প্রতিবেদক পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধানের সাক্ষ্যের ট্রান্সক্রিপ্টের (নকল) উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছেন।'
প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বুধবার আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে আসাদ দুররানি স্বীকার করেন, ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়াকে ৫০ কোটি রুপি দিয়েছিল আইএসআই।
খালিজ টাইমসকে বিএনপির প্রতিবাদ ও ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান
বিএনপি গতকাল খালিজ টাইমসের সম্পাদকের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে খালেদা জিয়াকে আইএসআইয়ের অর্থ দেওয়াসংক্রান্ত খবরের প্রতিবাদ জানিয়েছে। দলের যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
খালিজ টাইমসকে পাঠানো চিঠিতে বিএনপি দাবি করেছে, গত ৩ মার্চ পত্রিকাটিতে খালেদা জিয়াকে আইএসআইয়ের অর্থ দেওয়া সম্পর্কিত খবর ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপূর্ণ।
খালেদা জিয়াকে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান বিরোধীদলীয় নেত্রী এবং দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী হিসেবে আখ্যায়িত করে বিএনপি দাবি করে, তিনি কখনো বিদেশ থেকে টাকা নেননি। জাতীয়তাবাদী আদর্শের এ দলটি বিদেশি অর্থে বিশ্বাস করে না বলেও দাবি করা হয়।
বিএনপি বলেছে, ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা একে তাঁর ভাবমূর্তিতে কালিমা লেপনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
বিএনপি বলেছে, আইএসআইয়ের সাবেক প্রধান আসাদ দুররানিও বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, তিনি খালেদাকে অর্থ দেওয়ার বিষয়ে কিছু বলেননি। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও অর্থ দেওয়া সম্পর্কিত খবর নাকচ করেছে। বিএনপি খালিজ টাইমসকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিবাদটি ছাপার ও ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
কালের কণ্ঠ ডেস্কগতকাল শনিবার বিবিসি বাংলা সার্ভিসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেনারেল দুররানি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, 'পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে আমি এ রকম কোনো কথাই বলিনি।'
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদপত্র খালিজ টাইমস এবং ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেইল এ মাসের গোড়াতে খবর দেয় যে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের এক শুনানিতে দুররানি বিএনপিকে নির্বাচনের জন্য ৫০ কোটি রুপি দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
বিবিসি বাংলার মাসুদ হাসান খান রাওয়ালপিন্ডিতে জেনারেল দুররানিকে টেলিফোনে জিজ্ঞেস করেন, আদালতের শুনানিতে বিএনপির প্রধান খালেদা জিয়াকে আইএসআই টাকা দিয়েছে- এ কথা তিনি বলেছেন কি না। জবাবে জেনারেল দুররানি বলেন, তিনি এ ধরনের কোনো কথাই আদালতে বলেননি। বিএনপির অন্য কাউকে আইএসআই অর্থ দিয়েছে কি না- এ প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, 'এটা আমি মনে করতে পারছি না। আমার বিশ্বাস কেউ সেটা করেনি।' তিনি বলেন, এটি একটি ভুয়া খবর এবং এটা সাংবাদিকতার নীতিবিরোধী। কিন্তু কেন এ খবর ছাপানো হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করবেন না।
জেনারেল দুররানিকে প্রশ্ন করা হয়, বাংলাদেশের রাজনীতিকদের আইএসআই অর্থ দিয়ে থাকে কি না? জবাবে তিনি বলেন, 'আমার বিশ্বাস আমাদের সঙ্গে তাঁদের কোনো যোগাযোগ নেই। তাঁদের তরফ থেকেও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি। এ ধরনের কোনো লেনদেন হয়েছে, এমন কোনো কথাবার্তা হয়েছিল বলে আমার মনে পড়ে না।'
পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে বাংলাদেশের প্রসঙ্গে কোনো কথাবার্তা হয়েছিল কি না জানতে চাইলে দুররানি বলেন, 'আমার জানা মতে, সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কোনো কথাবার্তা হয়নি। আমি শুনানিতে যে বক্তব্য দিয়েছি, এর দলিল আদালতেই আছে, যেটা আদালত বিবেচনা করছেন। এ কারণেই আমি বলতে পারি, এ অর্থ দেওয়ার বিষয়ে আদালতে কেউ কখনো কোনো কথাই বলেনি। ফলে এ অভিযোগ অস্বীকার করতে আমার বিন্দুমাত্র দ্বিধা নেই।'
সাক্ষ্যের নকলের অপেক্ষায় ঢাকা
বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়াকে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের অর্থ দেওয়ার খবর ইসলামাবাদ নাকচ করলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বাংলাদেশ পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালতে আইএসআইয়ের সাবেক প্রধান আসাদ দুররানির দেওয়া সাক্ষ্যের নকল (ট্রান্সক্রিপ্ট) পাওয়ার অপেক্ষা করছে। গতকাল শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খালেদাকে আইএসআইয়ের অর্থ দেওয়ার খবরকে ভিত্তিহীন বলে আখ্যায়িত করে। এর আগে গত সোমবার ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছিলেন, 'ওই ট্রান্সক্রিপ্ট পাওয়া যাবে বলে আমরা আশা করছি। আমরা ট্রান্সক্রিপ্ট চাইব। এটি স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। সত্যিকার অর্থে আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে পাকিস্তানের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান কী বলেছেন, তা আমাদের জানতে হবে।'
কালের কণ্ঠের কূটনৈতিক প্রতিবেদক জানান, গতকাল সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, তিনি ওই বক্তব্যের কথা শুনেছেন। তিনি আরো বলেন, 'আমরা নকল চেয়েছি। নকল হাতে পাওয়ার পর এ ব্যাপারে বলতে পারব।'
আসাদ দুররানির সাক্ষ্য ও হলফনামার উদ্ধৃতি দিয়ে দুটি বিদেশি সংবাদমাধ্যমে (সংযুক্ত আরব আমিরাতের পত্রিকা খালিজ টাইমসে ও যুক্তরাজ্যের ডেইলি মেইল পত্রিকার অনলাইন ইন্ডিয়া সংস্করণে) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অর্থ দিয়েছিল আইএসআই। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকায় এক জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে বাংলাদেশের মাটি কলুষিত না করে খালেদা জিয়াকে 'যেখান থেকে টাকা নিয়েছেন সেই পাকিস্তানে' চলে যাওয়ারও পরামর্শ দেন। আইএসআইয়ের টাকা দেওয়াসংক্রান্ত খবরের সত্যতা নেই বলে দাবি করে বিএনপি প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
দীপু মনি গত সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, 'খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনটি আমি দেখেছি। সেখানে যা এসেছে তা কোনো পত্রিকার কোনো প্রতিবেদকের মনের মাধুরী মেশানো কথা নয়। পত্রিকাটির প্রতিবেদক পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধানের সাক্ষ্যের ট্রান্সক্রিপ্টের (নকল) উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছেন।'
প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বুধবার আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে আসাদ দুররানি স্বীকার করেন, ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়াকে ৫০ কোটি রুপি দিয়েছিল আইএসআই।
খালিজ টাইমসকে বিএনপির প্রতিবাদ ও ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান
বিএনপি গতকাল খালিজ টাইমসের সম্পাদকের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে খালেদা জিয়াকে আইএসআইয়ের অর্থ দেওয়াসংক্রান্ত খবরের প্রতিবাদ জানিয়েছে। দলের যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
খালিজ টাইমসকে পাঠানো চিঠিতে বিএনপি দাবি করেছে, গত ৩ মার্চ পত্রিকাটিতে খালেদা জিয়াকে আইএসআইয়ের অর্থ দেওয়া সম্পর্কিত খবর ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপূর্ণ।
খালেদা জিয়াকে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান বিরোধীদলীয় নেত্রী এবং দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী হিসেবে আখ্যায়িত করে বিএনপি দাবি করে, তিনি কখনো বিদেশ থেকে টাকা নেননি। জাতীয়তাবাদী আদর্শের এ দলটি বিদেশি অর্থে বিশ্বাস করে না বলেও দাবি করা হয়।
বিএনপি বলেছে, ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা একে তাঁর ভাবমূর্তিতে কালিমা লেপনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
বিএনপি বলেছে, আইএসআইয়ের সাবেক প্রধান আসাদ দুররানিও বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, তিনি খালেদাকে অর্থ দেওয়ার বিষয়ে কিছু বলেননি। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও অর্থ দেওয়া সম্পর্কিত খবর নাকচ করেছে। বিএনপি খালিজ টাইমসকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিবাদটি ছাপার ও ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








