|
|
সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল, পরিবারের প্রত্যাখ্যানবাবর, মুফতি হান্নানসহ ২৪ জন অভিযুক্ত
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
বহু নাটকীয়তার পর অবশেষে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা মামলার সম্পূরক অভিযোগপত্র গতকাল সোমবার হবিগঞ্জের বিচারিক হাকিম রাজিব কুমার বিশ্বাসের আদালতে দাখিল করা হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম প্রায় সাড়ে তিন বছর অনুসন্ধান শেষে সাবেক জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন, হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি আবদুল হান্নানসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র জমা দেন। তবে কিবরিয়ার স্ত্রী আসমা কিবরিয়া সম্পূরক অভিযোগপত্র প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, তদন্তে মাস্টারমাইন্ড বা নেপথ্যের নায়করা চিহ্নিত হয়নি।
সম্পূরক অভিযোগপত্রে নাম থাকা বাকিরা হলেন_নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার আমজাংগা গ্রামের হরকাতুল জিহাদের সদস্য মইনুদ্দিন শেখ ওরফে আবু জান্দাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ, মুফতি আবদুল হান্নানের ভাই গোপালগঞ্জের
কোটালীপাড়ার মহিব উল্লাহ অভি, চাঁদপুর জেলার মৈশাদী গ্রামের শরীফ শাহেদুল আলম বিপুল, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সাহারপাড়-সৈয়দপুর গ্রামের হাফেজ সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফ, হবিগঞ্জ জেলা শহরের চৌধুরী বাজার এলাকার বদরুল আলম মিজান ওরফে বাবরী মিজান, হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার সিকন্দরপুর গ্রামের মিজানুর রহমান মিঠু, নোয়াগাঁও কৃষ্ণপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলী, নবীগঞ্জ উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা গ্রামের বদরুল মিয়া, পাকিস্তানের আবদুল মাজেদ ভাট, কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার বাঁশগাড়ি গ্রামের মুফতি সফিকুর রহমান ও কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার নয়ানগর গ্রামের মুফতি আবদুল হাই।
তাঁদের মধ্যে মাওলানা তাজউদ্দিন, সফিকুর, আবদুল হাই, মোহাম্মদ আলী ও বদরুল মিয়া পলাতক। গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজন আসামি ইতিমধ্যে স্বীকারাক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলায় আগের অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি বিএনপি নেতা আবদুল কাইয়ূমসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হলেও আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে তাঁদের নামও রাখা হয়েছে।
২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের বৈদ্যেরবাজারে আওয়ামী লীগের জনসভা শেষে বেরিয়ে আসার পথে গ্রেনেড হামলায় সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া, তাঁর ভাতিজা শিল্পপতি শাহ মঞ্জুুরল হুদা, আওয়ামী লীগ কর্মী আদ্যপাশা গ্রামের আবুল হোসেন, বনগাঁও গ্রামের সিদ্দিক আলী ও আবদুর রহিম নিহত এবং শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী আহত হন। এরপর হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুল মজিদ খান হবিগঞ্জ সদর থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করেন।
হত্যা মামলার তদন্তভার সিআইডিতে ন্যস্ত হলে তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির তৎকালীন এএসপি মুন্সী আতিকুর রহমান ২০০৫ সালের ১৯ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দেন। ওই বছরের ২০ এপ্রিল হত্যা মামলার আদলেই বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলাটিরও অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। দুটি অভিযোগপত্রেই ১০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। দীর্ঘ কারাভোগের পর তাঁরা সবাই এখন উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে মুক্ত আছেন।
দাখিল করা অভিযোগপত্র অসম্পূর্ণ দাবি করে মামলার বাদী আবদুল মজিদ খান ২০০৫ সালের ২৮ মার্চ অধিকতর তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করলে আদেশের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ দায়রা জজ আদালতে রিভিশন দায়ের করা হয়। এর পরও আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে মামলাটি বিচারের জন্য সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠান। দায়রা জজ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে মামলার বাদী হাইকোর্টে আবেদন করলে তাও নামঞ্জুর করে সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। ওই অনুযায়ী বাদী ২০০৬ সালের ৩ মে সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে অধিকতর তদন্তের জন্য আবেদন করেন।
শুনানি শেষে ১৪ মে আবেদনটি নামঞ্জুর করা হয়। ওই আদেশের বিরুদ্ধে বাদী ওই বছরের ২৮ মে হাইকোর্টে আবারও রিভিশন দায়ের করলে আদালত সরকারের প্রতি রুল জারি করে মামলার কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে সরকার আপিল করে। অন্যদিকে, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৫ আগস্ট মামলার অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডির সিনিয়র এএসপি রফিকুল ইসলামকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।
রফিকুল ইসলাম হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানসহ কয়েজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে হুজি সদস্য বদরুল আলম মিজান জানান, তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাতপুর উপজেলার সাহারপাড় গ্রামের হাফেজ সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফের কাছ থেকে আর্জেস গ্রেনেড সংগ্রহ করেছিলেন। ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি সদর উপজেলার বৈদ্যেরবাজারে সভা থেকে বেরিয়ে আসার সময় মিজান সেই গ্রেনেড ছোড়েন। ওই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন মিজানুর রহমান মিঠু, মোহাম্মদ আলী ও বদরুল মিয়া।
ওই স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ২০০৮ সালের ২২ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ শহরের মোহনপুর এলাকায় মিজানের ভগি্নপতির বাসা থেকে কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও ২৪ ডিসেম্বর শহরের চৌধুরীবাজার এলাকায় মিজানের বাসা থেকে একটি বাঙ্ ও কিছু ইসলামী বই উদ্ধার করা হয়। কিবরিয়া হত্যায় ব্যবহৃত গ্রেনেডটি ওই বাঙ্ েরাখা ছিল।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, 'আমরা সব তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে প্রকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছি। আশা করছি প্রকৃত অপরাধীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে।'
মাস্টারমাইন্ডরা চিহ্নিত হয়নি : আসমা কিবরিয়া
শাহ এ এম এস কিবরিয়ার স্ত্রী আসমা কিবরিয়া পুলিশের দেওয়া সম্পূরক অভিযোগপত্র প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি গতকাল টেলিফোনে কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এতে (সম্পূরক অভিযোগপত্র) নতুন কিছু নেই। তদন্তে মাস্টারমাইন্ড বা নেপথ্যের নায়কদের চিহ্নিত হয়নি। আগের মতোই ঘটনা ঘটেছে।'
অদ্ভুত একটি অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে করে তিনি বলেন, 'তদন্তকারীরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ না করেই তদন্ত শেষ করেছেন। আশা করেছিলাম এ সরকারের আমলে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার পাব। কিন্তু অভিযোগপত্র দেখে হতাশ হতে হয়েছে।'
হবিগঞ্জ প্রতিনিধিসম্পূরক অভিযোগপত্রে নাম থাকা বাকিরা হলেন_নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার আমজাংগা গ্রামের হরকাতুল জিহাদের সদস্য মইনুদ্দিন শেখ ওরফে আবু জান্দাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ, মুফতি আবদুল হান্নানের ভাই গোপালগঞ্জের
কোটালীপাড়ার মহিব উল্লাহ অভি, চাঁদপুর জেলার মৈশাদী গ্রামের শরীফ শাহেদুল আলম বিপুল, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সাহারপাড়-সৈয়দপুর গ্রামের হাফেজ সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফ, হবিগঞ্জ জেলা শহরের চৌধুরী বাজার এলাকার বদরুল আলম মিজান ওরফে বাবরী মিজান, হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার সিকন্দরপুর গ্রামের মিজানুর রহমান মিঠু, নোয়াগাঁও কৃষ্ণপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলী, নবীগঞ্জ উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা গ্রামের বদরুল মিয়া, পাকিস্তানের আবদুল মাজেদ ভাট, কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার বাঁশগাড়ি গ্রামের মুফতি সফিকুর রহমান ও কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার নয়ানগর গ্রামের মুফতি আবদুল হাই।
তাঁদের মধ্যে মাওলানা তাজউদ্দিন, সফিকুর, আবদুল হাই, মোহাম্মদ আলী ও বদরুল মিয়া পলাতক। গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজন আসামি ইতিমধ্যে স্বীকারাক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলায় আগের অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি বিএনপি নেতা আবদুল কাইয়ূমসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হলেও আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে তাঁদের নামও রাখা হয়েছে।
২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের বৈদ্যেরবাজারে আওয়ামী লীগের জনসভা শেষে বেরিয়ে আসার পথে গ্রেনেড হামলায় সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া, তাঁর ভাতিজা শিল্পপতি শাহ মঞ্জুুরল হুদা, আওয়ামী লীগ কর্মী আদ্যপাশা গ্রামের আবুল হোসেন, বনগাঁও গ্রামের সিদ্দিক আলী ও আবদুর রহিম নিহত এবং শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী আহত হন। এরপর হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুল মজিদ খান হবিগঞ্জ সদর থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করেন।
হত্যা মামলার তদন্তভার সিআইডিতে ন্যস্ত হলে তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির তৎকালীন এএসপি মুন্সী আতিকুর রহমান ২০০৫ সালের ১৯ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দেন। ওই বছরের ২০ এপ্রিল হত্যা মামলার আদলেই বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলাটিরও অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। দুটি অভিযোগপত্রেই ১০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। দীর্ঘ কারাভোগের পর তাঁরা সবাই এখন উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে মুক্ত আছেন।
দাখিল করা অভিযোগপত্র অসম্পূর্ণ দাবি করে মামলার বাদী আবদুল মজিদ খান ২০০৫ সালের ২৮ মার্চ অধিকতর তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করলে আদেশের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ দায়রা জজ আদালতে রিভিশন দায়ের করা হয়। এর পরও আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে মামলাটি বিচারের জন্য সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠান। দায়রা জজ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে মামলার বাদী হাইকোর্টে আবেদন করলে তাও নামঞ্জুর করে সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। ওই অনুযায়ী বাদী ২০০৬ সালের ৩ মে সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে অধিকতর তদন্তের জন্য আবেদন করেন।
শুনানি শেষে ১৪ মে আবেদনটি নামঞ্জুর করা হয়। ওই আদেশের বিরুদ্ধে বাদী ওই বছরের ২৮ মে হাইকোর্টে আবারও রিভিশন দায়ের করলে আদালত সরকারের প্রতি রুল জারি করে মামলার কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে সরকার আপিল করে। অন্যদিকে, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৫ আগস্ট মামলার অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডির সিনিয়র এএসপি রফিকুল ইসলামকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।
রফিকুল ইসলাম হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানসহ কয়েজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে হুজি সদস্য বদরুল আলম মিজান জানান, তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাতপুর উপজেলার সাহারপাড় গ্রামের হাফেজ সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফের কাছ থেকে আর্জেস গ্রেনেড সংগ্রহ করেছিলেন। ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি সদর উপজেলার বৈদ্যেরবাজারে সভা থেকে বেরিয়ে আসার সময় মিজান সেই গ্রেনেড ছোড়েন। ওই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন মিজানুর রহমান মিঠু, মোহাম্মদ আলী ও বদরুল মিয়া।
ওই স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ২০০৮ সালের ২২ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ শহরের মোহনপুর এলাকায় মিজানের ভগি্নপতির বাসা থেকে কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও ২৪ ডিসেম্বর শহরের চৌধুরীবাজার এলাকায় মিজানের বাসা থেকে একটি বাঙ্ ও কিছু ইসলামী বই উদ্ধার করা হয়। কিবরিয়া হত্যায় ব্যবহৃত গ্রেনেডটি ওই বাঙ্ েরাখা ছিল।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, 'আমরা সব তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে প্রকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছি। আশা করছি প্রকৃত অপরাধীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে।'
মাস্টারমাইন্ডরা চিহ্নিত হয়নি : আসমা কিবরিয়া
শাহ এ এম এস কিবরিয়ার স্ত্রী আসমা কিবরিয়া পুলিশের দেওয়া সম্পূরক অভিযোগপত্র প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি গতকাল টেলিফোনে কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এতে (সম্পূরক অভিযোগপত্র) নতুন কিছু নেই। তদন্তে মাস্টারমাইন্ড বা নেপথ্যের নায়কদের চিহ্নিত হয়নি। আগের মতোই ঘটনা ঘটেছে।'
অদ্ভুত একটি অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে করে তিনি বলেন, 'তদন্তকারীরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ না করেই তদন্ত শেষ করেছেন। আশা করেছিলাম এ সরকারের আমলে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার পাব। কিন্তু অভিযোগপত্র দেখে হতাশ হতে হয়েছে।'
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








