|
|
আওয়ামী লীগের দাবিহরতাল প্রত্যাখ্যান করে জনগণ তারেকের বিচারের পক্ষে মত দিয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপির ডাকা ৪৮ ঘণ্টা হরতাল দেশের জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। এর মধ্য দিয়ে জনগণ যুদ্ধাপরাধী ও খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানের বিচারের পক্ষে সরকারকে মত দিয়েছে। তিনি বলেন, 'আশা করি বিরোধী দল হরতাল প্রত্যাহার করে জনগণের কল্যাণে মনোনিবেশ করবে।'
গতকাল বুধবার হরতালের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন হানিফ। তিনি বলেন, ৪৮ ঘণ্টা হরতালের প্রথম দিনে কিছু প্রাইভেটকার রাস্তায় বের হয়নি। তা ছাড়া অফিস-আদালত, ব্যাংক-বীমা, লঞ্চ, রেল চলাচল স্বাভাবিক ছিল। এ হরতালে নাগরিক জীবনে কোনো প্রভাব পড়েনি। হরতালের আগের দিন রাতে জ্বালাও-পোড়াও করে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হলেও মানুষকে ঘরে আটকে রাখতে পারেনি। জীবনযাত্রা প্রায় স্বাভাবিক ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
ফারুকের আঘাতের ঘটনা দুঃখজনক
হরতালে বিরোধীদলীয় চিফ হুইফ জয়নুল আবদিন ফারুকের ওপর পুলিশি নির্যাতন সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে হানিফ বলেন, 'এ ঘটনা সম্পর্কে খবর নিয়ে আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি, সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ অফিসারকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলে ওই পুলিশ অফিসার উঠতে গেলে তিনি (ফারুক) মৃদু আঘাত পান।' হানিফ বলেন, 'ঘটনাস্থলে গাড়ি ভাঙচুরের সময় পুলিশ অফিসার নিষেধ করেন। বিএনপির এ নেতা যে ভাষায় কথা বলেন, নোংরা আচরণ করেন তাতে আমাদের সন্দেহ হয়, ভাবতে কষ্ট হয়, উনি (ফারুক) চিফ হুইফ। এ ভাষায় মাঠপর্যায়ের সন্ত্রাসীরা কথা বলে। তবে এ ঘটনা দুঃখজনক। আশা করি, পদমর্যাদার দিকে খেয়াল রেখে ভবিষ্যতে সবাই আচরণ করবেন।'
হরতালের লক্ষ্য তারেক-কোকোকে রক্ষা
হানিফ বলেন, জনগণ বুঝতে পেরেছে এ হরতালের কারণ একটাই। গ্রেনেড হামলার আসামি তারেক রহমান এবং মানিলন্ডারিং মামলার আসামি কোকোকে রক্ষা করা। আর জোটের শরিক জামায়াত এ হরতালে সমর্থন দিয়েছে যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার জন্য।
ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন, মিছবাহউদ্দিন সিরাজ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী ও সুজিত রায় নন্দীসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
হরতালবিরোধী মিছিল
এদিকে হরতালের প্রথম দিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সড়কগুলোতে আওয়ামী লীগসহ এর সহযোগী সংগঠন এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের মিছিল, মিটিং ও অবস্থান ছিল চোখে পড়ার মতো। বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও ধানমণ্ডির সভাপতি কার্যালয়ের সামনের সড়কে নেতা-কর্মীরা দফায় দফায় হরতালবিরোধী মিছিল করেছেন।
সকাল ১০টার পর থেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সদর দরজায় অবস্থান নেন নগরীর সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম সম্পাদক ও আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, সহসভাপতি মুকুল চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, দপ্তর সম্পাদক আবদুল কুদ্দুস, সহদপ্তর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিলন। জমায়েত হতে থাকে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এবং নগরের নেতারা। সেখানে তারা হরতালবিরোধী মিছিল করে। ১১টার পর কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুব-উল-আলম হানিফ, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও আফজাল হোসেন কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। তা ছাড়া মহাখালী, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, গুলশান, রামপুরা, বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় হরতালবিরোধী মিছিল করে সরকার দলের নেতা-কর্মীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগ খণ্ড খণ্ড মিছিল বের করে। তবে কোথাও পুলিশি বাধা ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
নিজস্ব প্রতিবেদকগতকাল বুধবার হরতালের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন হানিফ। তিনি বলেন, ৪৮ ঘণ্টা হরতালের প্রথম দিনে কিছু প্রাইভেটকার রাস্তায় বের হয়নি। তা ছাড়া অফিস-আদালত, ব্যাংক-বীমা, লঞ্চ, রেল চলাচল স্বাভাবিক ছিল। এ হরতালে নাগরিক জীবনে কোনো প্রভাব পড়েনি। হরতালের আগের দিন রাতে জ্বালাও-পোড়াও করে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হলেও মানুষকে ঘরে আটকে রাখতে পারেনি। জীবনযাত্রা প্রায় স্বাভাবিক ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
ফারুকের আঘাতের ঘটনা দুঃখজনক
হরতালে বিরোধীদলীয় চিফ হুইফ জয়নুল আবদিন ফারুকের ওপর পুলিশি নির্যাতন সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে হানিফ বলেন, 'এ ঘটনা সম্পর্কে খবর নিয়ে আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি, সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ অফিসারকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলে ওই পুলিশ অফিসার উঠতে গেলে তিনি (ফারুক) মৃদু আঘাত পান।' হানিফ বলেন, 'ঘটনাস্থলে গাড়ি ভাঙচুরের সময় পুলিশ অফিসার নিষেধ করেন। বিএনপির এ নেতা যে ভাষায় কথা বলেন, নোংরা আচরণ করেন তাতে আমাদের সন্দেহ হয়, ভাবতে কষ্ট হয়, উনি (ফারুক) চিফ হুইফ। এ ভাষায় মাঠপর্যায়ের সন্ত্রাসীরা কথা বলে। তবে এ ঘটনা দুঃখজনক। আশা করি, পদমর্যাদার দিকে খেয়াল রেখে ভবিষ্যতে সবাই আচরণ করবেন।'
হরতালের লক্ষ্য তারেক-কোকোকে রক্ষা
হানিফ বলেন, জনগণ বুঝতে পেরেছে এ হরতালের কারণ একটাই। গ্রেনেড হামলার আসামি তারেক রহমান এবং মানিলন্ডারিং মামলার আসামি কোকোকে রক্ষা করা। আর জোটের শরিক জামায়াত এ হরতালে সমর্থন দিয়েছে যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার জন্য।
ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন, মিছবাহউদ্দিন সিরাজ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী ও সুজিত রায় নন্দীসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
হরতালবিরোধী মিছিল
এদিকে হরতালের প্রথম দিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সড়কগুলোতে আওয়ামী লীগসহ এর সহযোগী সংগঠন এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের মিছিল, মিটিং ও অবস্থান ছিল চোখে পড়ার মতো। বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও ধানমণ্ডির সভাপতি কার্যালয়ের সামনের সড়কে নেতা-কর্মীরা দফায় দফায় হরতালবিরোধী মিছিল করেছেন।
সকাল ১০টার পর থেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সদর দরজায় অবস্থান নেন নগরীর সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম সম্পাদক ও আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, সহসভাপতি মুকুল চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, দপ্তর সম্পাদক আবদুল কুদ্দুস, সহদপ্তর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিলন। জমায়েত হতে থাকে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এবং নগরের নেতারা। সেখানে তারা হরতালবিরোধী মিছিল করে। ১১টার পর কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুব-উল-আলম হানিফ, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও আফজাল হোসেন কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। তা ছাড়া মহাখালী, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, গুলশান, রামপুরা, বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় হরতালবিরোধী মিছিল করে সরকার দলের নেতা-কর্মীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগ খণ্ড খণ্ড মিছিল বের করে। তবে কোথাও পুলিশি বাধা ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
খবর -এর আরো সংবাদ
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








