ঢাকা, মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর ২০১১, ১৯ আশ্বিন ১৪১৮, ৫ জিলকদ ১৪৩২
বিশ্ব শিক্ষক দিবস আগামীকালআমাদের প্রিয় শিক্ষক শিউলি শবনম
ভোরে ঘুম থেকে উঠে নিজের হাতে জমিতে চাষ দিয়ে, জমানো গোবরের গুটি বানিয়ে অতঃপর স্কুলে যাওয়ার জন্য তৈরি হতেন শিক্ষক আশরাফ আলী। তৈরি বলতে খুব বেশি কিছু নয়। একটি মাত্র ভাল পাঞ্জাবি আর পায়জামা পরে নিতেন। দু'পায়ে গলিয়ে নিতেন বছরখানেক আগে কেনা প্রায় ক্ষয়ে যাওয়া সেন্ডেল জোড়া। কড়া রোদে মাথার ওপর ধরতেন শত তালি লাগানো এরাবিয়ান ছাতা। তারপর প্রায় দু'মাইল হেঁটে পৌঁছাতেন স্কুলে। মাস শেষে তাঁর যে বেতন সে টাকায় গাড়িতে চড়া বা ভালভাবে সংসার চালানো কোনোটাই তাঁর পক্ষে সম্ভব ছিল না। কিন্তু তাঁর কাছে নেশার মতো ছিল স্কুলের ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের পড়ানোর সীমাহীন আনন্দ। দারিদ্র্যকে তিনি কখনো পরোয়া করতেন না। একই কথা বলতেন... বিস্তারিত
বাড়তি আয়ের জন্য কৃষিকাজ করেন লক্ষ্মীপুরের আমিন মীর ফরহাদ সুমন, লক্ষ্মীপুর
৪৭৫ টাকা বেতন স্কেলে ১৯৮৫ সালে শুরু করেছিলেন শিক্ষকতা বর্তমানে ৮ হাজার টাকা স্কেলে বেতন পান। তবুও এর বেশি চাহিদা নেই তার। সামাজিক মর্যাদাপূর্ণ সাধারণ জীবন নিয়েই সন্তুষ্ট তিনি। বাড়তি আয়ের আশায় চাকরির পাশাপাশি প্রাইভেট বাণিজ্যে মোটেও আগ্রহ নেই তার। বরং নিজের জমিতে চাষাবাদ করে... বিস্তারিত
ইস্পাহানীর ভৌমিক স্যারের জন্য প্রাক্তন ছাত্ররা উপহার পাঠায় এখনো ভূঁইয়া নজরুল
১৯৬৯ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে অনার্স শেষ করার পর শিক্ষকতায় প্রবেশের পর ৪২ বছর ধরে পড়াচ্ছেন অনিল চন্দ্র ভৌমিক। নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার রফিকপুর গ্রামের সন্তান অনিল চন্দ্র চট্টগ্রামের ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাছে ভৌমিক স্যার নামেই পরিচিত। শিক্ষাজীবন শেষ করার... বিস্তারিত
ক্লাসে ছাত্রদের বন্ধু হয়ে যান কলেজিয়েটের মোহাম্মদ আবছার নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯৯২ সালের ১৮ এপ্রিল সরকারি স্কুলে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরিতে যোগ দেন মোহাম্মদ আবছার। কলেজিয়েট স্কুল সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষার্থীর কাছে আবছার স্যার হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ আবছারের বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলার কধুরখীল গ্রামে। ১৯৮০ সালে এসএসসি, ১৯৮২ সালে এইচএসসি ও সরকারি কমার্স কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞানে... বিস্তারিত
৩৫ বছরেও কোনো ছুটি ভোগ করেননি কক্সবাজারের ফজলুল করিম তোফায়েল আহমদ, কক্সবাজার
দীর্ঘ ৩৫ বছরের শিক্ষকতা জীবনে কোনো ছুটিই ভোগ করেননি কক্সবাজার জেলার বরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ফজলুল করিম। ২০০৭ সালের ২৪ মার্চ কক্সবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের পদ থেকে অবসর নেয়ার পরও তিনি ছাড়েননি শিক্ষকতার মহান পেশা। শিক্ষকতা পেশায় থাকাকালীন সময়েই তিনি কক্সবাজারে একটি কমার্স কলেজ... বিস্তারিত
সহজ ভাষায় পড়ানোর কৌশল জানেন খাস্তগীরের শহীদুল্লাহ নিজস্ব প্রতিবেদক
ফেনী সদর উপজেলার সন্তান মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ এখন চট্টগ্রাম মহানগরীর অন্যতম জনপ্রিয় শিক্ষক। চট্টগ্রামের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ খাস্তগীর স্কুলের শিক্ষার্থীদের কাছে প্রিয় নাম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
১৯৯২ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে সরকারি চাকুরিতে যোগদানের পর বান্দরবান সরকারি বালক, মুসলিম হাই, পটিয়া আবদুর রহমান, বান্দরবান লামা সরকারি... বিস্তারিত
সামাজিক কাজেও সমান ব্যস্ত নোয়াখালীর শরিফ উল্যা সামসুল হাসান মীরন, নোয়াখালী
নোয়াখালী জেলার ওবায়দুল্যা মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শরিফ উল্যা। এ প্রতিষ্ঠানে পরিবেশটা একটু ভিন্ন রকম। আবর্জনাহীন, গাছগাছালি এবং ফুলের শোভায় ভরা স্কুল অঙ্গনটি যে কোনো মানুষের দৃষ্টি কাড়বে। এর মূলে রয়েছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. শরিফ উল্যা।
১৯৮২ সালের ১ এপ্রিল স্কুলে... বিস্তারিত
খেলাধুলা বিতর্ককেও প্রাধান্য দেন ফেনীর সুব্রত আসাদুজ্জামান দারা, ফেনী
ফেনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সুব্রত নাথ। প্রতিনিয়ত পাঠদান পদ্ধতি পরিবর্তনের মাধ্যমে তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা পাঠদান করে চলেছেন হাজারো শিক্ষার্থীদের। তিনি মনে করেন, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, নিয়ম শৃঙ্খলা ও অন্যান্য বিষয়েও সম্যক ধারণা থাকাটা জরুরি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা... বিস্তারিত
পাঠ্যবই আরো সহজ ও বিজ্ঞানমুখি চান বান্দরবানের মমতাজ উদ্দিন মনু ইসলাম, বান্দরবান
বান্দরবানের বিশিষ্ট শিক্ষক মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন তালুকদার প্রত্যাশা করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের আদর্শকে উড্ডীন করে মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ জয়ন্তীর আগেই জ্ঞান-বিজ্ঞান ও মেধায় বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম একটি দেশে রূপ নেবে। তিনি বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্ম দেশকে মর্যাদার স্থানে নিয়ে যাবেই। দিব্য চোখে দেখছি বাংলাদেশ হবে বিশ্বের... বিস্তারিত
রাঙামাটির জনপ্রিয় 'গণিত স্যার' আহসানউল্লাহ ফজলে এলাহী, রাঙামাটি
'২০ বছরের শিক্ষকতা জীবনে কখনই নিজেকে নিষ্ফলা মাঠের কৃষক মনে হয়নি। এই পেশা থেকে যা পেয়েছি তা হাজার কোটি টাকা দিয়েও পাওয়া সম্ভব নয়'- এইভাবেই নিজের শিক্ষকতা জীবন সম্পর্কে মন্তব্য করলেন শত বছরের প্রাচীন বিদ্যাপীঠ রাঙামাটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং শহরের জনপ্রিয়... বিস্তারিত
উৎসবের রঙ মণ্ডপে মণ্ডপে নূপুর দেব
ঢাক-ঢোল-কাসা-শঙ্খসহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে চট্টগ্রামে শারদীয় দুর্গোৎসবের মণ্ডপে মণ্ডপে আরতি চলছে। গত রবিবার ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে পাঁচদিনব্যাপী দুর্গোৎসব শুরু হয়। এদিন পূজা দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড় কিছুটা কম হলেও গতকাল সোমবার মহাসপ্তমী পূজায় ভিড় ছিল বেশি। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শুধু হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাই... বিস্তারিত
দুর্গাপূজায় সপরিবারে গ্রামে চলে যান শিল্পপতি এন জি সাহা ফেরদৌস লিপি
দুর্গাপূজায় গ্রামেই থাকতে ভালোবাসেন দেশের স্বনামধন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান এন জি এস গ্রুপের চেয়ারম্যান ননী গোপাল সাহা (এন জি সাহা)। গ্রামের সাদাসিধে পূজার আয়োজন তাঁকে সবসময়ের মতো এখনও টানে। আর সেই টানে এবারও পূজা উদযাপন করতে গতকাল সোমবার সপরিবারে চলে যান নিজ গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার... বিস্তারিত
রানা দাশগুপ্ত বললেনজৌলুস বেড়েছে ঠিকই কিন্তু মানুষে মানুষে আন্তরিকতা বাড়েনি নিজস্ব প্রতিবেদক
এখনকার দুর্গোৎসবে প্রাণের অস্তিত্ব নেই। যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে দুর্গোৎসবে জৌলুস বেড়েছে ঠিক কিন্তু মানুষে মানুষে আন্তরিকতা বাড়েনি। আগে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের মধ্য ছিল আন্তরিকতা। ধর্ম নিরপেক্ষতার কারণে ঈদ ও পূজায় মানুষে মানুষে হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নয় যেন বাঙালির সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হতো।... বিস্তারিত
অষ্টমীর ভোগের প্রসাদ হৈমন্তীর খুব পছন্দ নিজস্ব প্রতিবেদক
'পূজার আনন্দ এক সময় ভীষণ উপভোগ করতাম। ছোটবেলায় যখন তেমন কোনো ব্যস্ততা ছিল না। সারাদিন মণ্ডপগুলোতে ঘুরে বেড়াতাম। এখন ভিড় এড়িয়ে চলি। সারাক্ষণ কাজের ব্যস্ততায় উদ্বিগ্নতা নিয়ে থাকতে হয়। বিভিন্ন প্ল্যান-প্রোগ্রাম সেট করতে হয়। এসব করতে করতেই সময় পেরিয়ে যায়-' বললেন শিল্পী হৈমন্তী রক্ষিত মান।... বিস্তারিত
ছোটবেলার সেই উন্মাদনা এখন আর চোখে পড়ে না : ডা. অলক সঞ্জয় বাবু
'ছোটবেলার মতো এখনো পূজামণ্ডপগুলোতে ঘুরে বেড়াতেই বেশি আনন্দ পাই। কিন্তু পেশাগত ব্যস্ততার কারণে বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে ছোটবেলার মতো অত বেশি পূজামণ্ডপে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ হয় না এখন। ছোটবেলায় বন্ধুদের মাঝে প্রতিযোগিতা চলত কে কত বেশি মণ্ডপ ঘুরে দেখত। আর ঘুরে বেড়াতে নতুন পোশাক চাইই চাই। ছোটবেলায়... বিস্তারিত
-এর আরো সংবাদ
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৪৫০৫৯৫
পুরোনো সংখ্যা
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
free counters
Latest News Portal Food Recipe in Bangladesh jobs in Bangladesh